ক্যাফে ধারাবাহিকে মৃদুল শ্রীমানী (পর্ব – ২)

১| প্রসঙ্গ: জন ডালটন
অ্যাটমের সম্পর্কে গুছিয়ে লিখেছিলেন জন ডালটন ( ৫/৬ সেপ্টেম্বর ১৭৬৬ – ২৭ জুলাই ১৮৪৪)। ১৮০৩ সালে তিনি একটি পরমাণু তত্ত্ব খাড়া করলেন, যার মোদ্দা কথা হল
১ এই বিশ্বের মৌলিক পদার্থগুলি অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে তৈরি। এই কণাগুলির নাম অ্যাটম।
২ একটি নির্দিষ্ট মৌলিক পদার্থের অ্যাটমগুলি আয়তন, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যে অভিন্ন। আলাদা আলাদা মৌলিক পদার্থের অ্যাটমগুলির আয়তন, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলিও আলাদা আলাদা।
৩ অ্যাটমকে টুকরো করা যায় না, আ্যাটমকে তৈরি করাও যায় না। আবার অ্যাটমের বিনষ্টিসাধন বা তাকে ধ্বংস করা যায় না।
৪ ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক পদার্থের অ্যাটম গুলি সরল পূর্ণসংখ্যা অনুপাতে যুক্ত হয়ে রাসায়নিক যৌগিক পদার্থ তৈরি করে।
৫ রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময়ে অ্যাটমগুলি যুক্ত হয়, পৃথক হয়, নতুন ধরনের সাজ পরে।
জন ডালটন এইসব বলার আগে তাঁর পূর্বসূরী ১ রবার্ট বয়েল (২৫ জানুয়ারি ১৬২৭ – ৩১ ডিসেম্বর ১৬৯১), ২ আঁতোয়া ল্যাভয়সিয়ে (২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে ১৭৯৪) এবং ৩ ব্যারন জন জ্যাকব বার্জেলিয়াস ( ২০ আগস্ট ১৭৭৯ – ৭ আগস্ট ১৮৪৮) এর গবেষণা ও আবিষ্কারগুলি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েছিলেন।