সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে মধুমিতা রায় (পর্ব – ৮)

এই জীবন

আর কে বি -এর ব্যাচে নতুন এসেছে দিতিপ্রিয়া। প্রথম দিনই অরিত্রর চোখে লেগে গেছিল।ঝকঝকে চেহারা।বসেছিল অরিত্রর পাশেই।আগের নোটসের বিষয় কথা বলতে বলতে বেশ ভাব হয়ে গেল।ফেরার পথেও একসাথে স্টেশন অবধি এল। দিতিপ্রিয়া যাবে ডাউনে আর অরিত্র আপে তবু মুখোমুখি প্ল্যাটফর্মে দূর থেকে বেশ লাগছিল ওকে দেখতে।জিনস আর হলুদ টপ সূর্যমুখীর মত আলো যেন।অরিত্র মুগ্ধ হচ্ছে, কি ফিগার! আহা!

সে রাতেই অরিত্র ইনবক্সে লিখল… Hi

সপ্তাহে একটা দিনই পড়ান আর কে বি।বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে।বুধবার থেকেই অরিত্র পালস রেট দ্বিগুন হয়ে যাচ্ছে আজকাল।দিতির সাথে চ্যাট করতে করতে ঘুমাতেও দেরি হচ্ছে রোজ।

মনিমালা বলে কেউ ছিল কি! নাকি ওটা একটা ঝাপসা হয়ে যাওয়া ছবির মত কিছু।ইদানিং মনিমালা মেসেজ করলেই বিরক্ত লাগছে।একবার ভেবেছিল ব্লক করে দেবে। কেন যে বুঝছে না ও চাইছে না কথা বলতে!
তেমন হলে পরিষ্কার বলতে হবে। এত যে কি প্রেম এ বয়সে কে জানে! রোজই মেসেজ করতে হবে! এতবার বলছে ব্যস্ত তবুও! এত্ত ইরিটেটিং!

তোমায় আমি মেঘমিতা ডাকতে পারি ? …
ঘুমের থেকে চমকে জেগে উঠল মনিমালা।বালিশ এখনও ভেজা।কখন যে নিঃশব্দে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়েছিল!

মাঝরাতের চাঁদ জানলার কাঁচে। মান্না দের গানটা মনে পড়ল হঠাৎই… মাঝরাতে আকাশটাতে যাবে যে আগুন ধরে।

আগুন মাঝরাতেই তীব্র এটা কি সবাই বোঝে!

ক্রমশ

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।