মাই নেম ইজ গহরজান
বর্ষার এই গহন বিকেলের কাছে একা বসে পড়তে থাকি আত্মগোপনের চিঠি। কবে ছুঁয়েছিলাম এই বিষণ্ণ ডাকটিকিট, মনে নেই মনে নেই… নীল ফুলের গাছের তলায় কবেই ঘুমিয়ে গেছে রক্তাক্ত ছুরি হাতে ব্রুটাস। আকাশও পাল্টেছে মেঘ জমানোর রীতি… এসব দিনে জলফড়িংয়েরা শুধুই কাঁচের ঢেউয়ে কলমি ফুল আঁকে… ছবিঘরের পাশে চোখ বুজে শুয়ে আছে মুখচোরা সন্ধ্যামালতিরা। গহরজানের বৃষ্টিভেজা জোড়া ভ্রু ‘র তলায় নক্ষত্রেরা কাঁদে। নাকের পাটায় জোনাক জ্বালিয়ে একরোখা মেয়ে বলে উঠে, “মাই নেম ইজ গহরজান।” ঠুংরীর পরাগ ছড়িয়ে পড়ছে কলাবতী রাগের পাঁজরে, শিরা উপশিরায়। দোতলার ঘরের লাল ফরাসে। স গ প ণ ধ র্স ।। র্স ণ ধ প গ স ।। নাখোদা মসজিদে মাগরিবের আজানের সাথে মিশে যাচ্ছে ভালোবাসা না পাওয়া এক গোলাপী মেয়ের কান্নার তরঙ্গ। হে মা ‘বুদ, “ভালোবাসিবে বলে ভালোবাসিনে”…
এসব জুনের দিনে নাখোদা মসজিদের পাশে আজমগড় থেকে জারুলের পাতারা বাতাসে উড়ে আসে, শুয়ে থাকে গহর বিল্ডিংয়ের দেয়াল ছুঁয়ে। কোনও দিন এখানেই উঠেছিলো ঈদের চাঁদ ভাঙা ধূসর শ্লেটে। জোছনায় সেজেছিলো তারার মেহফিল।
রূপোলী মেঘের খোঁজে দু’টো তীব্র জেদী পা হেঁটে হেঁটে কবে যেন চলে গেছে খাদের কিনারা ধরে হৃদয় থেকে রাতের শূন্য স্টেশনের দিকে…