নিবাস হুগলি জেলার তারকেশ্বর থানার অন্তর্গত রামনগর গ্রামে।পিতা স্বর্গীয় দুলাল চন্দ্র দাস। মাতা স্বর্গীয়া পুষ্প লতা দাস।
শৈশব থেকেই লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার।অভাব-অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী।স্নাতক ও প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা । সাহিত্যচর্চা , বাগান তৈরি, গান শোনা,বই পড়া কবিতা লেখা আমার শখ ।আমার সকল সাফল্যের পিছনে আমার মা ,দাদা, ছোটদি ও জামাই বাবুর অবদান অনস্বীকার্য। আমার একক ই-বুক হল চেতনার সন্ধানে, অনুকবিতা গুচ্ছ ও জাগরনী।এবং যৌথ মুদ্রিত কাব্যগ্রন্থ শব্দনোলক।
পুরানো দিনের গান
পুরানো সেই দিনের গানের মিষ্টি ছিল সুর,
কানটা ঠিক যেত চলে বাজুক যতই দূর।
সুর তাল ছন্দ ভাষা এমন ছিল তার টান,
মন ঠিক টানতোই শুনতে সেসব গান।
সুরকার কণ্ঠশিল্পী সব একাকার যেন,
বাদ্যযন্ত্রের সামঞ্জস্যও ভেসে যেত হেন।
সব মিলে পেতো শ্রোতা অসীম মিষ্টতা,
ভাষাতেও থাকত তখন নিবিড় সৃষ্টতা।
বিরক্তি তো নয়ই মন যেত ভালো হয়ে,
গুনগুনিয়ে গাইত শ্রোতা গানেরই লয়ে।
পুরনো দিনের কণ্ঠশিল্পী শের ছিল সবাই,
তাদের গানের রিমেক করে হয় তারা জবাই।
নতুন সৃষ্ট গান গুলো বড্ড কানে লাগে,
বিকট শব্দের বাদ্যযন্ত্র হৃদয়কে যেন দাগে।
পুরনো দিনের গান এখন যেন গেছে হারিয়ে,
বর্তমানের বিশ্রী গান দিয়েছে সে সব তাড়িয়ে।
খুশির জোয়ার আসে বয়ে পুরনো দিনের গানে,
পুরনো দিনের গানই শুধু হৃদয়ে জোয়ার বানে।