কবিতায় মল্লিকা চক্রবর্ত্তী

১। দেখ রুদ্রাণী রূপ
মোর বোনদের তোরা সংবেদনশীল স্হানে
ব্লেড চালিয়ে বেইজ্জতি করিস, দিস মেরে ?
দেখ রুদ্রাণী রূপ আজ, আমার হাত থেকে
শয়তানের দল, দেখি বাঁচায় এখন কে রে ?
সোনাগাছি তো খোলা আছে,উপায় করে
মায়েরা তোদেরই পালন,পোষনের জন্যে ;
যাস না কেনো? টাকা লাগবে , তার জন্যে?
আমরা মাতা,আমরা বোন, স্ত্রী স্নেহের কূপ;
শান্ত মূর্তি দেখে আসছিস,দেখ রুদ্রাণী রূপ!
অপরাধী এমনিতেই, ভয়েতে তোদের হার;
বেশি কথায় কাজ নেই, প্রয়োজন চেলাবার!
অনেক পাঁঠা উকিল আছে, ঘুষ খেয়ে লড়তে ;
দেশের টাকা বাঁচিয়ে দিচ্ছি,প্রস্তুত হ মরতে!
কুরুল দিয়ে চেলিয়ে ফেলি, দেখ তুই এখন;
বোন গুলি কে,যন্ত্রণায় যেমন করেছিল জখম!
জেলে যেতে হয় যেতে রাজি,পুণ্যি করে কিছু ;
তবু বাঁচবো মোরা দেখ, এবার মাথা করে উঁচু।
২। ঞ্জানের প্রদীপ !
জন্মদাত্রী মা করুনা ময়ীর কাছে ,দয়া,
মায়া, ত্যাগ, সততা সবই শেখা আছে ।
প্রাথমিক শিক্ষা মা, ঠাকুমার দেওয়া ;
মা যদি বকে,তাই ঠাকুমার টেনে নেওয়া।
মান সম্মানে ঠাকুর্মায়ের জুড়ি মেলা ভার ;
শিশু মনে ব্যাথা পেয়েছি জীবনী শুনে তার।
শাশুড়ি মা,ননদ দের থেকেও পেয়েছি কিছু ;
সারা জীবন মনে প্রাণে রয়েই গেলাম শিশু !
প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক দের পদে ঠেকাই মাথা ;
উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দের শিক্ষা মনে গাঁথা । কমল স্যার ,যগাই স্যার নাম ধরি আর কতো!
ভাগ দিতাম ছাত্র ছাত্রীদের ; পেয়েছি ঞ্জান যতো ।
দুচোখ ভরে দেখেছি, শুনেছি নির্বোধের মতো !
যৌথ পরিবারের বড়ো মেয়ে ,ব্যাক্ত করি কতো !
মুখে না বলে ,কাজে কোরে দেখাতে চাই ;
ফ্রেস বুকে এসেও আমি কতো ঞ্জান পাই ।
ভীষণ আমার ঞ্জানের ক্ষুদা ,মেটে না কো মোটে ;
ঞ্জানের প্রদীপ জ্বলতে দেখলে,সেখানে মন ছোটে !
যাই শিখি না কেনো, যেখানে যতো শিক্ষা পাই ;
অহংকার না কোরে, সকলকে বিতড়িয়া যাই ।