T3 || প্রভাত ফেরি || বিশেষ সংখ্যায় মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় রায়

চলে যাওয়া
এই চলে যাওয়াটাকে চলে যাওয়া ভাবলেই চলে যাওয়া।
অর্থাৎ ভাবনাটা চলে যায়
ভাবনা কি চলে যায়, না যতদিন শ্বাসপ্রশ্বাস পড়ছে
ভাবনা ততদিন থাকবে।
ভাবনাগুলো ঠিক যেন একটা পাখির এ ডাল থেকে উড়ে আর একটা ডালে বসা।
কোনো ডাল ফুলে ফুলে ভরা কোনো ডাল সবুজ পাতায় ভরা আবার কোনো ডাল শুকনো কাঠ।
অবশ্য পাখির তাতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
বরঞ্চ শুকনো ডালে ঠোঁট মুছে কোনো কোনো পাখি দিব্বি আরাম পায়।
আবার কোন অজানা গন্তব্যের উদ্যেশে উড়ে চলে যায়।
একটু দূরে মধ্যে মধ্যে দেখাসাক্ষাত পাওয়া মানুষটির চলে যাওয়া ভাবলেই চলে যাওয়া ।
অথচ আছেন ওই দূরের ঠিকানায় , পা মুড়ে খাটে বসে রঙিন জামা চোখে চশমায় ঝুঁকে লিখছেন ।
৪৯ পটলডাঙ্গার রুফটপে গান কবিতাপাঠ সাথে চা টা খাওয়া , কথা বার্তা চলছে।
আম গাছের পাতারাও ছাদে মুখ বাড়িয়ে দেখছে।
সামনে রঙ্গন, নিশিপদ্ম ,কাগজি লেবু আহ্লাদে ষোলোখানা হয়ে উঠেছে।
তাহলেই বোঝো সব চলে যাওয়া চলে যাওয়া নয় ।
ছোঁয়া থাক গীতবিতানে ।
কোথায় চলে যাওয়া সেটা দেখতে গেলে
চলে যাওয়ার অপেক্ষা যে করতেই হবে।