ধরণীতে যেদিন পদার্পন করলে তুমি,
অমৃতলোক ত্যাগ করে,
ধন্য বুঝি হয়েছিল এই জগতবাসী,
এক বিরল প্রতিভার জাগরণ হতে চলেছিল,
অনুধাবন করেছিল তারা!
ধীরে ধীরে-
কড়া নেড়েছিল বসন্ত,
তবে তুমি বলতে অবহেলা!!
সত্যের সংস্পর্শে-
রূপান্তরিত হয়েছিলে,
বিভূতির অপুতে!
প্রাপ্তি:
জগতখ্যাতি!!
অনন্ত সময়ের সমর্থনে,
চিরঠাঁই করে নিলে বাঙালির মননে,
গগন স্পর্শী তোমার প্রাচুর্য,
যেন মধ্য গগনের সূর্য!
ভূষিত হয়েছ অনন্য সম্মানে,
সহস্রবার!!
হৃদয়ের প্রতি স্পন্দনে,
লিপিবদ্ধ করেছ আপন গরিমা,
প্রতিস্থাপিত করেছ এক উজ্জ্বল উদাহরণ!
প্রশ্বাসের ন্যায়-
আপন কর্ম থেকে বিচ্যুত হওনি কোন ক্ষণে!
এক অনুপ্রেরণা রূপে রয়ে গেলে চিরদিন!!
আজ বসন্ত লুপ্ত,
শীতের সাদা চাদরে মোড়ানো তোমার নিষ্প্রাণ কায়া,
সাথী শুধু ক্রন্দন!
পরিহার সকল মায়া আজ,
তবুও তুমি সৌমিত্র,
নীল অনন্তের ধ্রুবতারা!
ফিরে গেলে আজ সেই অমৃতলোকে আবার
পড়ে রইল এক মুঠো স্মৃতিকণা,
সমুদ্র সৈকতে নয়,
চেতনার অন্তরালে,
চেতনার প্রবাহে,
চেতনার গর্ভে!!