দিব্যি কাব্যিতে কুমকুম বৈদ্য

সীমা লঙ্ঘনের অবাধ অধিকার

এবার একটা যুদ্ধ বিরতি নেব উহ্য ভালবাসা, লম্বা টানা
একটু দূরে যেতেই হবে উড়ে , অফিসের কাজে মুখ ডোবাবো
অটোমেশন যন্ত্রপাতি তৈরির মন্ত্র কণ্ঠস্থ করার শমন এসেছে
যেতে যেতে অনেকটা দূরেও যেতেই পারি, সেটাই স্বাভাবিক

তোমার পাশে এখন যারা আছে কাঁধ বাগিয়ে
তারা হয়ত থাকবেনা অত দীর্ঘ সময়
হয়ত খুন হয়ে যাবে
এত খুন, এত মৃত্যু এই কুড়ি একুশ বাইশ জুড়ে
থাক আজ আর পারমাণবিক অস্ত্রের কথা তুলবো না
কিম্বা কারোর বুকের ভিতরের অগ্নুৎপাত
বরং তুমি তোমার এক্স ওয়াইফের জন্য যে কবিতাটি লিখেছিলে
পড়ে শোনাও
হাওয়ার গায়ে তোমাদের বাড়ি ছিল , জোনাক দিয়ে জ্বালাতে আলো,সেই প্রেমের দিনের গল্প বলো

বহুদিন বনসাই ল্যাবে কলমের জোড় বাঁধতে বাঁধতে চাষ করতে ভুলে গেছি আমি
তোমার যে অষ্টাদশী প্রেমিকা ডাক্তারি পড়তে গেছিল ইউক্রেনে
আফগানিস্তানের বোরখা বিহীন ষোড়শী
সাতাত্তর বাংলাদেশি সজল নয়ন
ওরা সব খুন হয়ে যাবে-
সব ধানের চারায় আগুন লাগিয়ে যাবে যুদ্ধ বিমান এসে
বুকের দুধে যে মেঘটা পুষে রেখেছি
সেও বুঝি ঝরে যাবে দুর্ভিক্ষ মেটাতে

তবুও পাখির ডানাতে লাগেনি কাঁটাতার
একমাত্র তারই আছে আকাশ সীমা লঙ্ঘনের অবাধ অধিকার
অনেকটা দূর থেকে এক জোড়া সাদা পায়রা ওড়াবার বিলাসিতা টুকু, আমাদের থাক।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।