T3 || ১লা বৈশাখ || বিশেষ সংখ্যায় কৌস্তুভ

বিচিত্রা
ছিল এক উড়নচণ্ডী মেয়ে, দষ্যিপনার ধারী,
শান্ত হওয়াই দুরবিরহ , চুপ করানো ভারী ।
চোখের কোণায় কাজল পলখ, নেএ অভিশারী
ঠোঁটের ওপর সোনার নলখ রূপসী এক নারী ।
ঝুমকো দুলায় রত্ন হারায়,সব ছাড়িয়ে বাড়ি,
মায়ের আচল কামড়ে ধরে, বাস্তবে তে আড়ি ।
মনটা যে তার সাদামাটা, তবুও লাফালাফি
মনের ছন্দে নৃত্য করে সেই বিচিত্র এক নারী ।
কথায় কথার ঝগড়া করে, যখন তখন আরি,
পরক্ষনে সকল ভুলে আপন স্বভাব তার ই ।
বাবার সাথে খুনসুটি খুব, পরে ই মারামারি
সকাল সন্ধ্যা না খেয়ে মাথায় করে বাড়ি।
কেউ কোথা নেই রাস্তা জুড়ে, আপন ছলে চলে,
যায় আসে না কিছুতেই তার লোকে কি বলে।
ছিল এক উড়নচণ্ডী মেয়ে, কিন্ত লক্ষ্মীমন্ত ভারী ।
মনের পাতায় স্বপ্ন আঁকে, কল্পনার রানি ।
বাজারে তে নেহাত যায় না পাওয়া
নাইলে বস্তা বস্তা আনি ।।
বাহিরে থেকেই শক্ত ভীষণ, ভিতর পানে নয় ;
হৃদ মাঝারের গোপন কোমল, দীন দুঃখী রে বয় ।
এমনিতে সে খুব মেজাজি কিন্তু ভালোবাসতে জানে
সকাল সন্ধ্যা পড়তে হলেই ভয় আসে তার প্রানে ।
নাম দিয়েছি সব ধরনের , তবুও মিল কোহ না পাই,
সে যে এক উড়নচণ্ডী যাহার অদ্বিতীয় নাই ।