গারো পাহাড়ের গদ্যে জিয়াউল হক

বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল

বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল, এফ.এফ. ভারতীয় তালিকা নম্বর-১০১১৯, গেজেট নম্বর ময়মনসিংহ সদর-১৮৯, লাল মুক্তিবার্তা নম্বর-০১১৫১১০২৪৪, সমন্বিত তালিকা নম্বর- ০১৬১০০০৫৬২৭, মোবাইল নম্বর- ০১৭১৩৫১২৩০২, পিতা ঃ অরবিন্দ পাল, মাতা ঃ শোভাষিনী পাল, স্থায়ী ঠিকানা ঃ ২৫০, পলাশপুর আবাসন, মুক্তিযোদ্ধা পল্লী, ময়মনসিংহ। বর্তমান ঠিকানা ঃ ঐ।
৩ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে বিমল পাল ছিলেন বাবা মায়ের চতুর্থ সন্তান। ১৯৭১ সালে তিনি ময়মনসিংহ শহরের আলমগীর মনসুর মিন্টু কলেজের একাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করতেন। ছাত্র জীবন থেকেই সমাজ বদলের স্বপ্ন বুকে নিয়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ( মতিয়া গ্রুপ) রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৮ সালে ছাত্র লীগ, ছাত্র ইউনিয়ন ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠন মিলে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করার পর বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার সমান্তরাতে ছাত্র সমাজের ১১ দফা দাবীনামা পেশ করেন। একই বছরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে সামরিক আদালতে আগরতলা ষড়যন্ত্র নামক মিথ্যা মামলায় বিচার শুরু হয়। এমন একটা মিথ্যা মামলায় বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবকে চরম শাস্তি দেওয়া হবে তাতো বাঙালিরা নিরবে মেনে নিতে পারে না। তাইতো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা রাস্তায় নেমে এসে সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল গণআন্দোলন গড়ে তুললেন। ” জেলের তালা ভাঙবো-শেখ মুজিবকে আনবো” ১৯৬৯ সালের এই গণআন্দোলন দমন করতে না পেরে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান শেখ মুজিবকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেন। ১৯৭০ সালের পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করার পরও পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্তান পিপলস পাঠির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টুকে সাথে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করলেন। শুধু তাই না জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করার পর ১৯৭১ সালের ১ মার্চ তা পূনরায় স্থগিত ঘোষণা করলেন।
ইয়াহিয়া খানের এই অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদে বাংলাদেশের আপামর মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচন্ড গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। অফিস, আদালত, কলকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। দেশের প্রসাসন যন্ত্র একেবারেই ভেঙ্গে পড়ে। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশেই দেশ পরিচালিত হচ্ছিল। আন্দোলনের পরবতর্ী কর্মসূচি ঘোষণার জন্য ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের এক বিশাল জনসভায় ভাষণ প্রদান করেন। তিনি তার ভাষণে এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম বলে ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই বিমল পালসহ দেশের মানুষ বুঝতে পারলেন যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই। তাইতো মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি সারা দেশে সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়ে গেল। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে কয়েক দফা বৈঠকে মিলিত হলেন। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসু না হওয়ায় সেনাবাহিনীকে বাঙালিদের উপর আক্রমণের নির্দেশ প্রদান করে ২৪ মার্চ বিকেলে ঢাকা ছেড়ে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে চলে গেলেন।
প্রেসিডেন্টের নির্দেশ মোতাবেক সেই দিন রাত থেকেই পাকিস্তানি সেনারা সারা বাংলাদেশের উপর আক্রমণ করে নির্বিচারে মানুষ হত্যার পাশাপাশি মানুষের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিতে শুরু করে। একই দিন মাঝ বাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর পরই পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেফতার হন। তিনি গ্রেফতার হলেও তার স্বাধীনতার ঘোষণা অনুযায়ী সারা বাংলাদেশে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। পাকিস্তানি সেনারা ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের দিকে যাত্রা করে বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধযোদ্ধাদের প্রতিরোধ ডিঙিয়ে ২১ এপ্রিল ময়মনসিংহ শহরে পৌছালে বিমল পাল ও তার পরিবার শহর ছেড়ে ফুলবাড়িয়া থানার এক গ্রামে আশ্রয় গ্রহণ করেন। সেখানে বসেই তিনি জানতে পারেন তার সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের বন্ধুরা মুক্তিযুদ্ধে গোগদানের জন্য ইতোমধ্যেই সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে গেছেন। তখন বাবা মায়ের কাছে নেত্রকোনা মামা বাড়ি যাওয়ার মিথ্যা কথা বলে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে তিনি ভারতের বাগমারা ইয়ুথ ক্যাম্পে গিয়ে ভর্তি হন। সেই ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন আব্দুল মজিদ এমপিএ। সেখানে মাত্র ৪ দিন অবস্থান করার পর ১২ জুন মুক্তিযুদ্ধের উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করে বিমল পালদের তুরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।
সেখানে ৩০ দিন প্রশিক্ষণ শেষে আলী হোসেনের নেতৃত্বে ১৩৪ জন মুক্তিযোদ্ধার একটা গ্রুপ গঠন করে বিমল পালদের ঢালু সাব-সেক্টরে প্রেরণ করা হয়। ঢালু থেকে তারা মাঝে মাঝে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন শত্রু ক্যাম্প আক্রমণ করে আবার নিজেদের ক্যাম্পে ফিরে আসতেন। এই সময়ে তারা ১৫০ পাউন্ড এক্সপ্লোজিভ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের চলাচলের একটা গুরুত্বপূর্ণ হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ রোড়ের নাগরা সেতু ধ্বংস করেন। ৩ নভেম্বর ভারতীয় বাহিনীর সাথে যৌথভাবে তারা তেলিখালী যুদ্ধে অ ংশগ্রহণ করে শত্রুদের সম্পূর্ণ ভাবে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে সেই যুদ্ধের বর্ণনা দেওয়া হ লো।
তেলিখালী যুদ্ধ ঃ ভারতের উত্তর পূর্ব মেঘালয় রাজ্যের দক্ষিণে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন ঢালু থেকে বাগমারা যাওয়ার পথে উঁচুনিচু পাকা রাস্তার উত্তরে আদিবাসি কৃষকদের গ্রাম যশীপাড়া। এই গ্রামের পাশের ফাঁকা জায়গায় ভাততীয় সেনাবাহিনীর ১৩ রাজপুর রেজিমেন্ট তাদের অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছেন। সাথে আব্দুল হাশেম কোম্পানী, এফ.এফ. ও এম.এফ সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী দল। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে এই যৌথবাহিনীর কার্যক্রম শুরু হলো কেন?
২৫ মার্চের রাতে পাকিস্তানি সেনারা বাংলদেশের সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করে মানুষ হত্যা শুরু করে। সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণ করার পর থেকেই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তি পাগল বাঙালিরা সেদিন থেকেই বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছিল। ময়মনসিংহ থেকে পাকিস্তানি বাহিনি সীমান্তের সবগুলি বিওপি ঘাঁটি দখল নিতে ২৫ মে ৩১ বালুচ ও ৩৪ পাঞ্জাব যৌথ ভাবে বাংলাদেশের নালিতাবাড়ি সীমান্ত পার হয়ে ভারতের বারেঙ্গাপাড়া থানার ঢালু পুরাতন বাজারে অবস্থিত শরণাথর্ী শিবির ও এলাকার সাধারণ নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা করে। তাছাড়াও তারা ৯ জন বিএসএফ জওয়ানকেও হত্যা করে। একই দল জুলাই মাসের ২৫ তারিখে পাশের সোহাগপুর গ্রামে হামলা চালিয়ে আরও ১৮৭ জন সাধারণ গ্রামবাসীকে হত্যা করেছিল। তাই বলা চলে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর মনেও প্রতিশোধের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছিল।
আবুল হাশেম ছিলেন জয় বাংলা বাহিনীর একজন সৈনিক। তখনও তিনি তার কোম্পানী গঠন সম্পূর্ণ করতে পারেনি। ৬ আগষ্ট ব্রিগেডিয়ার সান্থ সিং, আলী হোসেন, আব্দুল হালিম ও জিয়াউদ্দিন কোম্পানীর সমন্বয়ে পাকিস্তানি সেনাদের শক্তিশালী বান্দরঘাটা ক্যাম্প আক্রমণ করেও তারা কোন সফলতার দেখা পাননি। সেই যুদ্ধে আবুল হাসেম অস্ত্র হাতে রণাঙ্গণে ছিলেন। এখন তিনি শক্ত অবস্থানে। একদিকে যেমন তার কোম্পানী গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, অন্যতিকে তার পাশে আছে ভারতের ১৩ রাজপুত রেজিমেন্ট। তবুও তিনি হাতিবাগান (বাগার) ক্যাম্পের ইপিআরের ল্যান্স নায়েক মেসবাহউদ্দিনের সাহায্য চাইলেন। তার সঙ্গে তখন ২২ জনের একটি শক্তিশালী দল। তিনি সাহায্য করতে রাজি হলেন। ২৮ অক্টোবর রাত ১২ টার সময় ৭ জনের একটি দল শত্রুসেনাদের তেলিখালী ক্যাম্প রেকি করা জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এই দলে ছিলেন ২ জন ভারতীয় মেজর, ১ জন সুবেদার, ১ জন ওয়ারল্যান্স অপারেটর, ২ জন কমান্ডো এবং মুকিÍযোদ্ধা আবুল হাশেম। তারপর এই দলটি শত্রু ক্যাম্পের ব্যারাক হাউজ, লঙ্গরখানা, পাঞ্জাখানা, মেহমানখানা, টাট্টিখানাসহ শত্রুদের বাঙ্কারের অবস্থান পুংখানুপুঙ্খ ভাবে নোট নিয়ে নির্বিঘ্নে ফিরে আসেন। এই কার্যক্রমে গাইড আক্তার হোসেন ও আলী মিয়া পাঠান সাহসী ভূমিকা পালন করেন।
২০১৬ সালের ১০ মে বিমল পাল তেলিখালী যুদ্ধের জন্য রেকিপার্টি কতর্ৃক প্রস্তুতকৃত ব্যাটেল স্টাডি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ১ বছর মেয়াদী একটা কোর্সে অংশগ্রহণকারীগণের সামনে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেন। এই আক্রমণে ল্যান্স নায়েক মেসবাহউদ্দিন ব্যাটেল স্টাডিতে বলেন ৩ নভেম্বর /৭১, এইচ আওয়ার ৩.৫৫ থেকে ৪.০৫ মিনিট। কোম্পানী কমান্ডার আবুল হশেম ক্যাম্পের সামনের ডুবাজুরী গ্রাম থেকে ভেরিলাইট পিস্তলের গুলিবর্ষণের মাধ্যমে ফায়ার ওপেন করবেন। সমস্ত ক্যাম্প এলাকা সাদা আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে। এই সুযোগে ১২২১ নম্বর পিলারের কাছ থেকে ভারতীয় এইচএমজি গানার ১০ মিনিট যাবৎ গুলিবর্ষণ অব্যাহত রাখবেন। সন্মুখ থেকে আক্রান্ত হচ্ছেন ভেবে পাকিস্তানি সেনারা যখন তাদের সর্বশক্তি সন্মুখ দিকে নিয়োগ করবে, ঠিক তখনই ল্যান্স নায়েক মেজবাহ ও ল্যান্স নায়েক ওজিউল্লাহ ক্যাম্পের পূর্ব দক্ষিণ কোণের বাঙ্কারের উপর হামলা শুরু করবেন। মাঝে ল্যান্স নায়েক শফিউদ্দিন ও নূরুল ইসলাম। পশ্চিম দক্ষিনের বাঙ্কার দখল করবে গণযোদ্ধা ইদ্রিস, মুজাহিদ ও শামসুল হক। সাথে আছেন আব্দুস ছালাম, আদিবাসি গাড়ো লুকাস সাংমা, হযরত মারাং এবং আলী হোসেন। সুবেদার ধর্মপাল (ভারত), শাহ আতাউদ্দিন ও বিমর পালেরা তখন মাথা নিচু করে শেওয়াল নদীর ওপারের পূর্ব দক্ষিণের বাঙ্কার আক্রমণ করবেন। ৩৪ পাঞ্জাবের ১টা প্লাটুন, ৭১ উয়িং রেঞ্জার্সের ১টা প্লাটুন ও রাজাকার মিলে প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে ভোর ৬টার মধ্যে সব প্রতিরোধ স্তব্ধ হয়ে যায়। পেছন থেকে আক্রমণ করে শহিদ হলেন ল্যান্স নায়েক ওয়াজিউল্লাহসহ ৮ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ ২১ জন ভারতীয় সৈনিক। এই যুদ্ধে ১ জন পাকিস্তানি সেনা জীবিত বন্দী হয়, বাকি সবাই নির্মম ভাবে নিহত হয়।
নভেম্বর মাসের শেষের দিকে ভারতীয় রেজিমেন্টের সাথে যৌথ ভাবে তারা বাংলাদেশের শর্চাপুর ঘাট, ফুলপুর থানা হেডকোয়ার্টার, সম্ভুগঞ্জ প্রভৃতি স্থানে খন্ডযুদ্ধে শত্রুসেনাদের পরাজিত করে ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ শহর শত্রুমুক্ত করেন।
তারপর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। সমাজ বদলের যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে ছাত্র জীবন থেকেই বিমল পাল ছাত্র ইউনিয়নের নিবেদিব কমর্ী হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দি পরে আজকের এই বৃদ্ধ বয়সেও তিনি সেই সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন বুকে দিয়ে ৩২টি সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন, আজ তাকে ডাকা হয় ’মুক্তিযুদ্ধের সচিত্র গল্প বলার ফেরিওয়ালা নামে’।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।