কয়েকটা লিলিপুট বাচ্চা মিনি পতাকা হাতে হাঁটে
গর্বিত দৃপ্ত পায়ে। কী উল্লাস!তাকিয়ে থাকি….
মনের দরজা খোলে….. দেখি আজ স্বাধীনতা।
মুখে বন্দেমাত্রম্ বন্দেমাত্রম্ বলছে কিন্তু ভাবে স্পষ্ট
শুধু বোঁদে নয় দেশও মা।
দৃশ্য — ২
মোড়ের মাথায় জটলা।কয়েকজন কিশোর
এক উন্মাদনায় স্লোগান দিচ্ছে আর ওদের দলপতি
একটা তেরঙা পতাকা তুলে ঊর্ধ্বমুখ অদ্ভুত তৃপ্তি নিয়ে
বললো জয় হিন্দ্!
সবাই বললো জয় হিন্দ্!
স্বাধীনতা কী বুঝলাম তারা জিলিপি নিয়ে
ঝাঁপাঝাঁপি শুরু করলো।
প্রাক্ প্রবীণ কয়েকজন মানুষ তাসখেলা ছেড়ে
উঠলেন আর চোখে চোখে কিছু কথা হয়ে গেল।
আজ স্বাধীনতা সবই করা যাবে দিনটা ভালোভাবে
সেলিব্রেট করতেই হবে।লোকে যা বলে বলুক
সবাই জানে আজ তারা স্বাধীন।
দৃশ্য — ৫
কয়েকজন প্রবীণের খুকখুক কাশির বিকেল।
আটচালা মানেই হরিনাম নয় শেষ পারানির কড়ি
জমানোর একটা বিকেল ইতিহাসের মণিমুক্তোয়
হারায়। ছানিচোখে কী উজ্জ্বল জ্যোতি!কঠিনতম
শোষণ পীড়ন অত্যাচার সংগ্রাম পার হয়ে মুক্তির
হাওয়া।তাঁরা সব দেখেন সেদিনের অত্যাচারের পর
বাঁধভাঙা উল্লাস তারপর…… হাজার ভাঙাগড়া খেলা
তবু সেদিনের খুশি আজও মলিন চোখের আলো।
দেখি আর ধন্য হই।