সম্পাদকীয়

স্বাধীনতা দিবস বা আজাদি কি অমৃত উৎসবের উদযাপন চলছে মহা সমারোহে। অমৃতের সাথে গরল তো আসবেই । স্বয়ং দেবতারাও গরলকে বাদ দিয়ে অমৃত লাভ করতে পারেন নি আর আমরা তো সাধারন মানুষ । তবে মনে প্রশ্ন থেকেই যায় এই স্ব এর অধীনে থাকাই কি কাম্য ছিল আমাদের? লোভ, লালসা, চৌর্য বৃত্তির দাস হয়ে? সম্প্রতি একটি বিখ্যাত কলেজের ঘটনা আমাদের বিরাট প্রশ্নের সামনের দাঁড় করায়, কেনই বা মানুষের নিজস্ব ব্যাক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ করে বিষিয়ে তোলা হয় সম্পর্ক? বিশেষত ছাত্র, শিক্ষক সম্পর্ক? একজন শিক্ষিকা তার ব্যাক্তিগত ছবি শেয়ার করবেন কি না করবেন সে তো তাঁর একান্ত নিজস্ব এক্তিয়ার, আর তাই নিয়ে যদি ছাত্র এবং তাঁর পরিবারের সমস্যা হয় তাহলে তো বলতে হয় সেই পরিবারের স্বাধীনতা সম্পর্কে কোন সম্যক ধারনাই নেই । পশ্চিমের অন্ধ অনুকরণ শুধু শিখলেই হয় না তাদের মানসিক প্রসারতা যে শিক্ষণীয় তা ভুলে গেলে চলবে কেন?
স্বাধীনতার আলো আসুক মননে ।
ইন্দ্রাণী ঘোষ