সম্পাদকীয়

গোপালের জন্মদিন এসেই গেল । প্রতি বছর এই সময়টা মায়েদের স্নেহ কেমন উপচে পরে ।
আর সেই সুযোগ বুদ্ধিমান ব্যবসায়ীরাই বা ছাড়েন কেন । শহর জুড়ে যেন গোপালের মরসুম ।
একে দুমাস বাদে পুজো ,তায় গোপালের জন্মদিন, উরি বাপ রে, সে একেবারে মারকাটারি ব্যাপার।
মিষ্টির দোকানে গোপালের নামে স্পেশাল মাখনের কেক, ননীর হাড়ী মিষ্টি, স্যাকরার দোকানে সোনার টিপ, মিনিয়েচার বালা, নূপুর তো ছেড়েই দিলাম। এমনকি ফুটপাথে হকার দাদারা দিব্যি পুটকি পুতির মালা, পুচকি শিখিপাখা, মুক্তো আর পাথর বসানো হাতের বালা বার করে ফেলেছেন । আর সে যে কি আকর্ষণীয় কি বলি । কলকাতার সব ফুটপাথ যেন এখন ‘সব পেয়েছির দেশ ‘ । একজনকে তো দেখলাম মাথার চুলে দিব্যি হেয়ার ব্যান্ড লাগিয়ে তাতে ডজন খানেক ময়ুর পালক গুঁজেছেন, হলুদ প্যান্টের উপর নীল ট শার্ট চড়িয়েছেন এবং বাইকে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন , ওই যেমন শ্রীকৃষ্ণ থাকেন । ইনি কলির কেষ্ট কিনা জানি না তবে তার বাইক কাম কামধেনুর উপর রাখা জিনিস দেদার বিকোচ্ছে । ধর্মের নামে ব্যবসা একে বললে হবে ? মোটেই না । ‘আরে বাবা শরীরটাকে ত রাখতে হবে’ তাই পেট ও চালাতে হবে ।
সকলকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা ।
ইন্দ্রাণী ঘোষ