সম্পাদকীয়

এই হেমন্তের বেলায় যখন মাঠ ভর্তি কুয়াশা, আর সুয্যিটাও তাড়াতাড়ি পাট গুটিয়ে কেটে পড়ে, তখন কেমন মনে হয় কাজ শেষ হল এবার ছুটির ঘন্টা পড়ল আর সু্য্যি মশাই খানিক জিরোবেন, এখন মেজাজ তাঁর হালকা সুরে বাঁধা। আকাশে লক্ষ, কোটি প্রদীপ এবার দায়িত্ব পালন করবে । এমনি এক দীপাবলির সন্ধ্যায় আচার্য্য নন্দলাল বসু বসে ছিলেন কাশীর গঙ্গার ঘাটে, আকাশে তারার ফুলকির সাথে মিলে গিয়েছিল বাজির ফুলকি । আকাশটাকে তাঁর মনে হয়েছিল যেন মা ভগবতীর আঁচল, খসে পড়া বাজির ফুলকিগুলো সেই আঁচলের চুমকি । মহাদেব অপেক্ষায় আছেন মায়ের । কাশী থেকে ফিরে এসে জন্ম হল এক ছবির, ‘অর্ধনারীশ্বর’ সে ছবির নাম, হর পার্বতীর মিলনের ছবি । নন্দলাল বসুর মত শিল্পী ছাড়া কেই বা এমন করে ভাবতে পারেন ।
আমরা সাধারন মানুষেরা শুধু অদৃশ্য শিল্পীর ক্যানভাসের সামনে নতজানুই হতে পারি এই শীতের বেলায় এসে ।
ইন্দ্রাণী ঘোষ