কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে গোলাম কবির

শ্রাবণ মেঘের জল
একদিন হঠাৎ করেই বুকের গহীনে
ঢুকে পড়ে জ্যোৎস্নার প্লাবনে ভাসতে
থাকা ভালোবাসা নামের নদীর ঢেউ,
উড়িয়ে নিয়ে যায় ভীষণ একাকীত্বের
তীব্র শোকে মলিন হৃদয়ের
ধূসর শালিকের খসে পড়া পালকগুলো !
তারপর কেটে গেছে কতো অমাবস্যা
ও পূর্ণিমার রাত কিন্তু সেই জ্যোৎস্নার
প্লাবনে ভাসা ভালোবাসা নামের
নদীটার ঢেউ আর আসে না
কী এক অজানা অভিমানে বুকের মধ্যে!
সেই থেকে প্রতিটা জ্যোৎস্নার রাতে
আমি নদীটাকে খুঁজে ফিরি
উন্নিদ্র রাতে রক্তিম পলাশ চোখে
অথচ কিছুতেই পাই না খুঁজে।
এখন আমার বুকের খাঁচায়
কেবলই গাঢ় অমাবস্যার রাত
নেমে আসে প্রতিদিন, রাত্রিদিন
আততায়ীর মতো নতুন মুখোশে।
চোখে সারাদিন লেগে থাকে
শ্রাবণ মেঘের জল এবং জ্যোৎস্নারা
উধাও হয়েছে নয়তো স্বেচ্ছানির্বাসনে
গেছে ভালোবাসার নদীটার মতো!