কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে গোলাম কবির

নেই! তবুও আছে স্বপ্ন
নেই!
কিছু নেই!
সবই হারিয়ে গেছে!
মানুষের মধ্যে
ভালোবাসা নেই!
বিশ্বাস নেই!
বিবেক নেই!
নেই আস্থা!
নদীতে জল নেই!
থাকলেও সুপেয় নয় এবং
স্রোতহীন শীর্ণ নালা নর্দমার মতো!
বাতাসে ফুলের সুঘ্রাণ নেই!
স্নিগ্ধতা ফুরিয়েছে!
মৃত্তিকার বুকে আগের মতো
ফসল ফলে না অনায়াসেই!
আছে সভ্যতার অহংকার!
আছে বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তির উৎকর্ষ নিয়ে বড়াই!
এতো কিছু থাকতেও
কী যেনো নেই!
কিছু একটা তো অবশ্যই নেই!
কবিতায় নেই ছন্দের দোলা!
তাই নেই প্রাণ!
নেই জনমানুষের কথা!
সব কথাই তো থেমে গেছে!
নেই প্রেম!
নেই ভালোবাসা!
আছে শুধু অপ্রেমের দহন!
প্রেমের ছলনায় শরীরের খেলা
এবং ভালোবাসায় প্রতারণা!
নেই শান্তি!
এখনো বাজে যুদ্ধের
দামামা দেশে দেশে !
এখনো রক্তের হোলিখেলা
খেলে যায় মানুষ!
এতো কিছু নেই!
নেই! নেই!
তবুও আছে স্বপ্ন!
আছে বেঁচে থাকার সাধ!
বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে
মানুষ আবারও মানুষ হয়ে উঠবে!
মৃত্তিকার বুক আবারও ফসলের
উৎসব ও সৌরভে মুখরিত হবে!
দেশে দেশে যুদ্ধ ও
রক্তের হোলিখেলা
বন্ধ হয়ে যাবে!
বুড়িগঙ্গার জল আবারও
সুপেয় হবে,
তিস্তার বুক আবারও
জলে ভরে উঠবে!
গ্রামের চঞ্চল বালকেরা আবারও
নদীর বুকে ঝাঁপিয়ে পড়বে আনন্দে!