এই একাকী অন্ধকার দাঁড়িয়ে রয়েছে
সুপারির গন্ধ ছড়িয়ে । আকাশের উপর তারারা অঙ্ক কষে রেখেছে । ধূপের ধোঁয়া দেবতা ঢেকে এক রহস্য গল্প লিখে ছম ছম করে তুলেছে গোটা পরিবেশ । ওই যে দেওয়াল ডেকে উঠলো টিকটিকির স্বরে আর ফ্যানের ব্লেডে নেমে আসছে একটা স্নান পরবর্তী হাওয়া । অন্ধকারও একটা ঘুড়ির স্বপ্ন দেখে চাঁদ স্পর্শ করে যে নেমে আসছে চাঁদ করবে বলে । চাঁদা হারিয়ে গেলে জ্যামিতি বক্সে সৌন্দর্যের অভাব দেখা দেয় । ঝোপের কাছে বসে আছে শিকারি । একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেছে তার ইচ্ছে । তার ভিতরে ঢুকে গান লালন পাচ্ছে । তুলসী তলায় লালপাড়ের জ্বালানো প্রদীপের বুক কাঁপলেও আলো এলো । আর শব্দও শাঁখের হাত ধরে। একলা হারিয়ে গেল আবার সেই অন্ধকারেই ।
প্রভাতকুসুম
গীটারে ভোরের কুয়াশা জানালা বাজায়
জলতরঙ্গ পাতায় পা ভেজালে
সূর্যের ব্যালে
একটা অলৌকিক ছড়ালো বেহালায়
মহাসড়কে আর কোনো দুরারোগ্য নেই
স্মৃতি লেনে বন্ধ বিলাপ বেচারা
কে একটা রাশভারি দিলে
শাকের পোশাকে আঁকা ডবকা যুবতী
হেসে ওঠে
ঈশ্বর চলে গেছে দুপুর রাতে কিতকিত খেলবে বলে
শিশির কে তবে ধরবে বলো শিউলির
বুকে !