নি:সঙ্গতা আমাকে কুমিরের দাঁতের মতো
চিবিয়ে খায়
বনের অন্ধকার আমার বুকের ভিতর
লাফিয়ে পড়ে বাঘের মতো।
একাকীত্ব নির্জন বাড়ির মতো
ঘুমায় আমার বুকের ঘরে
পৃথিবীতে এতো মানুষ। জনারন্য
কোন নারী হাত রাখে না বুকের জমিতে
আমার হৃদয় কাঁদে
অভুক্ত শিশুর মতো
বুকের পাঁজরে অনবরত ডেকে যায়
এক অদৃশ্য সংগীহীন কোকিল
রাতের পেঁচা আমার চোখে চোখ রেখে
বলে যায় অন্ত্যজ মানুষের জীবন কথা
শ্মশানের নিস্তব্ধতা দাউ দাউ আগুন
পুড়িয়ে দেয় আমার রক্ত মাংস হাড়
বলো জীবন কেন এক সময় হয়ে ওঠে
থর অথবা সাহারা মরুভূমির কান্না?