কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে দীপায়ন হোসেন

ব্যক্তি জীবন
নখ নাড়াই
ক্রমেই দূরে সরে যেতে থাকে বইয়ের পাতা, একটা মৃত্যু
ব্যক্তিজীবন
এমন মৃত্যুতেও কান্না আছে, আছে রাগ সময়ের প্রতি
প্রতিটি অন্ধকার-ই আলোর দিশা
মানুষের বাঁচার আকাঙ্খা বাড়ে
ঘুটঘুটে অন্ধকার, জোনাকির আলো
বিষন্নতায় মনে লুকোনো তৃষ্ণা, নদী, জল
পরিপাটি সাজানো রাত-দিন
কাঁচের আয়না
ঠোঁটের নেশার শরীর ছুঁয়ে বেড়ায় রাত পরী
হাততালি দেয় সময়ের ঘড়ি
সময় বাড়তে থাকা জীবনের চুলগুলো এলোমেলো
মানুষ মৃত্যু ছুঁয়ে প্রতিদিন পুড়ছে
আর বাঁচার আকাঙ্খা অন্ধকার শহরে
চৈত্রর মেঘ-ঝড়-বৃষ্টি
চোখের সামনে আবছা কিছু বর্ণ, শব্দ, স্মৃতি
দিন-রাত্রি স্খলন বীর্য
পোশাক ছুঁয়ে থাকা চেনা চারদেওয়াল
রঙিন, নরম মাটি
নখ নাড়াই
হারিয়ে যেতে চাই খুঁজে পাওয়া ফসলি জমি
ব্যক্তিজীবন
এমন মৃত্যুতে আমার পিপাসা, পিপাসা একলা থাকায়
প্রতিটা আলোর কণায় খুঁজে চলা পরী
নিরব মানুষের বাঁচা, গভীর আশ্রয় খুঁজে।