কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে দীপায়ন হোসেন

চা শ্রমিক দাসত্ব
সবুজপাতা হাজার কুঁড়ি
চা শ্রমিকদের আহাজারি
চা চুমক দিলে কাটে বিষন্নতা
বুঝিনা আমরা চা শ্রমিকের ব্যথা
কত রকমের চা দেখেছো তোমরা
দেখেছো কী?
চা দাসের রৌদ্রপোড়া কালো শরীর
উষ্ণ লিকার তেজ দিপ্ত ধোঁয়া
খাটুনি শেষে চা শ্রমিকের বিমর্ষ চেহারা
চায়ে চুমুক দিলেই সতেজ মন
তোমাকে যারা সতেজ রাখে, তারা আজ পরিক্লান্ত
কখনো এভাবে ভাবছো?
চা শ্রমিকের রক্ত ঘামে এই লিকার
ভেবে লাভ কী? সবই তো বুঝো, তবু নির্বিকার
যুগে যুগে শাসক বদল হয়েছে
বদল হয়নি চা শ্রমিকের ভাগ্য
শ্রমিক না বলে দাস বলেছি
এই জন্য যে-
চা শ্রমিকের পারিশ্রমিক দেওয়া হয়
কিন্তুু! চা শ্রমিক যা পায় তা দাসত্ব ছাড়া আর কিছু নয়
তাই দাস শব্দ লিখতেই হলো
ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি চা শ্রমিক
চা শ্রমিকের মৌলিক অধিকার আজ বিলীন
ব্রিটিশ গেল, পাকিস্তান গেল
দেশ স্বাধীন হলো
শাসক বদল হলো
মালিক বদল হলো
বদল হলো চা বাগান ব্যবস্থাপক
বদল হয়নি কেবল চা শ্রমিকেদর শাসনের ধরণ
চা শ্রমিকের শ্রম-ঘামের মজুরি নাই
ন্যায্য মজুরির এই আন্দোলন
তাদের প্রতি জানাই সমর্থন