T3 সাহিত্য মার্গ || ১৫০ তম উদযাপন || সংখ্যায় চ্যাটার্জী অমল

ঋণ শোধের আকাঙ্খা
আচমন করে বসেছো ঋণ শোধের আরাধনায়,
নতুন জীবন গড়ার বীজমন্ত্র পড়েই সংকল্প করেছো
তামা তুলসী হাতে।বহু খেদ নিয়ে নয়া মতবাদে আহুতি
দেবে পুরাতন সব সিলেবাস,কড়ায়গণ্ডায় হিসেব করে
ফিরিয়ে দেবে হলদে দাঁতে দংশন করা বিকল্প যত
বাক্যবাণ বা স্মৃতির উঠুনজুড়ে জমে থাকা যত অপমান ।
সংকল্প যখন করেই ফেলেছো তখন উজাড় করে দিও
আকুল মনের অঞ্জলি। অধিকার সবারই আছে
ইচ্ছেদের জন্ম দেবার। হ্যাঁ, মানছি মৌমাছির মতো ঘিরে
থাকবে ফুসমন্ত্র দেবার কিছু বৈষ্ণবী সুহৃদ, হয়তো তারা
এঁকে দেবে লক্ষণগণ্ডি বা হুইলচেয়ারে বসাবে ইচ্ছেদের।
খবরদার, বীজমন্ত্র ভুলে ভুলেও পা দিওনা ওদের পাতা
ফাঁদে,জারি করা নিষেধাজ্ঞা তুড়ি মেরে উড়িয়ে কল্পতরু
হয়ে খুলবে মুখের ছিপি।
সংকল্প করেছো শাস্ত্রের বিধান মেনে রাখবে না ঋণ ,
জীবন সীমা পার হবার আগেই অপ্রিয় হলেও
এলোপাথাড়ি ফিরিয়ে দেবে অস্থাবর বাক্যবাণ। তাই
নৈবেদ্যর থালায় উপাদান হিসেবে সাজিয়েছো ক্ষুরধার
সব শব্দের স্বরলিপি। মনে রেখো নৈবেদ্য এক আধটা
উৎসর্গ বেশি হলেও ক্ষতি নেই । নিশ্চিন্তে থেকো ঋণ
শোধের পরশ পেয়ে নরকবাসের দুয়ারে অবশ্যই পরবে
কাঁটা, পারলৌকিক প্রশান্তির জন্য সেটাই বা কম কিসের ?