কবিতায় স্বর্ণযুগে বিশ্বজিৎ কর (গুচ্ছ কবিতা)

১| তুমি পাহাড় হও!
মাঝে মাঝে চলে যাই পাহাড়ের কোলে,
পাহাড় কিছু বলে না, মেনে নেয়!
রোদ-বৃষ্টি-ঝর্ণা, সবাইকে কোলে নেয়!
তুমি পাহাড় হও !
মনখারাপের সময়গুলো পাহাড় খোঁজে,
আদরের উষ্ণতায় স্বস্তি পাবে বলে!
পাহাড় ঘেমে ওঠে,
আলিঙ্গনের মাদকতায়!
তুমি পাহাড় হও!
কবিতাগুলো আশ্রয় চায়,
পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে –
বর্ণ-শব্দ-বাক্য ঠিকানাহীন হয়ে,
নুড়ি-পাথরে মুখ লুকায়!
তোমাকে পাহাড় হতেই হবে!
২| চেনা মুখের কবিতা!
কবিতার আয়নায় চেনামুখের ভিড়
মৌনমিছিলের মতো নির্বাক
তবুও শ্লোগান অনুভূত হয়
“পথে এবার নামো সাথী”!
কবিতার আয়নায় চেনামুখের ভিড়
অপ্রাপ্তির চাপা ক্ষোভের আগুন
তবুও প্রতিবাদ প্রতিধ্বনিত হয়
“আমরা অপমান সইব না”
কবিতার আয়নায় চেনামুখের ভিড়
আপোষহীনতায় দৃপ্ত, সাবলীল
তবুও স্বস্তির নিঃশ্বাস অনুভূত হয়
“ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতির্ময়..!”
কবিতার আয়নায় চেনামুখের ভিড়
মৌলবাদের ষড়যন্ত্রে অবিচল
স্পন্দিত দিকে দিকে স্বদেশবন্দনা
“ও আমার দেশের মাটি,
তোমার পরে ঠেকাই মাথা…!”