T3 || মলয় রায়চৌধুরী স্মরণে || লিখেছেন বারীন চক্রবর্তী

মলয়দার কথা
লেখা পড়লেই এই মানুষটিকে বুঝতে বা জানতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। ষাটের দশক থেকে প্রতিষ্ঠান বিরোধী অর্থাৎ “চব্য চোষ্য লেহ্য পেয় চোদ্দ” পদে সাজানো লেখা না লিখে হাংরি জেনারেশন (পচনরত কালখন্ড) সাহিত্যের প্রবক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মাশুল গুনতে হয়েছিল। ষোলো জনের সাথে আভঁ-গার্দ হিসেবে জেল খাটতে হয়েছিল আমাদের মলয়দাকে (মলয় রায়চৌধুরী), যাঁরা মুচলেকা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাঁদের লেখা একশ্রেণীর মহাজনরা বাজারে এখনও টিকিয়ে রেখেছে!
কয়েক দশক আগে থেকেই ওনার লেখা পড়ছি। ম্যাসেঞ্জারে যোগাযোগ ছিল। কি লিখছি, খোঁজখবর নিতেন। হাঁটতে হাঁটতে যৌবনে পেরিয়ে বার্ধক্যে পা রাখার সাথে সাথে আভঁ-গার্দ আমাদের মলয়দা সমাজের মানবজীবনের আরেকটি দিক দেখিয়েছিলেন। সেই লেখা পড়তে পড়তে আমরা কতটা এগিয়ে ছিলাম যা আপাতদৃষ্টিতে ব্যাখ্যাতীত।
গভীর জলে ফেলে রাখা বরশিতে টোপ ছিল আজ ভোরবেলা মলয়দাকে তুলবে বলে। হলো তাই! তবে টোপ খাওয়া মলয়দাকে জল থেকে তুলে নিলেও, আগামি দিন মলয়দাকে জীবিত রাখবে প্রতিষ্ঠান বিরোধী একজন প্রতিবাদী সাহিত্যিক হিসেবে।