ফুল কেন মা কথা বলে না
কেবলি যায় হেসে,
পাপড়িগুলি দেয় মেলি ওই
ছড়িয়ে গন্ধে ভেসে?
হাওয়ায় দোলে এদিক-ওদিক
চায় না কারও দিকে,
অলি এসে গান গেয়ে যায়
তবুুও কথা কয় না মুুখে!
বড্ড ভারি রাগ হয় মা,
এত রূপেও কেন বোবা?
সবাই তো ওদের ভালোবাসে
বাসে ভালো আমারও বাবা।
আমি যদি ফুল হতাম মা
দেখতে তুমি কাছে এসে,
তোমার খুকি ফুলের সাজেও
বলত কথা কেমন হেসে।
তখন ওদের শিখিয়ে দিতাম
কেমন করে কথা বলে;
অলি এসে গুনগুনালে-
চমকে দিতাম কেমন ছলে।
তুলতো যদি আমায় কেউ,
হাত বাড়িয়ে কাছে এসে,
অনেক কথা শুনিয়ে দিতাম
ধমক দিতাম আচ্ছা কষে।
তখন আমায় তুলতো না আর
থাকতাম সুখে কেমন বেশ,
নানান রঙে ভরিয়ে দিতাম
সোনার এই নিখিল দেশ।
তুমি ভাবছো তখন পূজা-
কেমন করে সব হবে,
ভাবলে হয়তো নতুন কোনো
উপায় তো কিছু হবে।
ভাবছো আমার পুতুল বিয়ের
মালা হবে তখন কিসে,
ফুলবাগে মা বিয়ে দিতাম
ফুলের সঙ্গে মিলেমিশে।
ওরা সব মা সয়ে যায়,
তায় ওদের ভারী দুখ্,
নীরব হয়ে সব স’লে মা
বড্ড কেমন বাজে বুক।।