১৯৬৮ সালে কলকাতায় জন্ম। সাধারণ মধ্যবিত্ত সংসারে সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় বেড়ে ওঠা। নব নালন্দা স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা, সেন্ট জেভিযার্স কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক। পরবর্তী উচ্চ শিক্ষা। বর্তমানে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা স্কুলে থাকতে। প্রথম ছড়া প্রকাশিত দৈনিক আজকাল সংবাদ পত্রে। নাটক, আবৃত্তি ও গানের প্রতি আবেগ বেশী হলেও, পদ্য বা ছড়া তাকে আজও টানে। কর্মব্যস্ত চলার পথে তাই মাঝে মাঝে সৃষ্টি করার প্রয়াসে জন্ম নেয় তার কিছু পদ্য।
আবর্ত
কোনোদিন –
যদি কোন গোলাপের তোড়া হাতে,
নিশ্চুপ রাতে,
কড়া নেড়ে যাও মনে,
চোখের কোণে
থেমে থাকা প্রেমের পরিমাণ,
আমার প্রমাণ
অঞ্জলি ভরে রেখে দেবো পায়ে।
আমার গায়ে,
বয়ে যাবে তোমার সুবাস,
থেমে যাবে নিঃশ্বাস।
কোনোদিন।
কোনোদিন –
হঠাৎ থমকে যাওয়া মনের কথা,
ক্ষণিক নীরবতা,
মিশে যাবে সাঁজবাতির সলতে ধরে,
তার পরে,
আকাশ জুড়ে ফানুসের আলো
উত্তরের আকাশের কালো
কাটিয়ে দিয়ে
অরোরা বরিয়ালিস নিয়ে,
জিতে নেবে মন।
সেই দিন
হবে না মলিন।
তাই কোনোদিন –
পালতোলা মেঘেদের গায়ে
আঁচল জড়ায়ে
নকশীকাঁথার মাঠ হবে পার,
ভিনদেশী পথিক তোমার,
দুই হাতের মাঝে
না বলা ভালো লাগারা বাজে।
কোনোদিন –
ফিরে এসো না আর,
পাড় ভাঙ্গা ঢেউএর ছন্দ তার
ফিরে যাওয়ার স্রোত মিশে,
জীবনের অবশেষে,
ফিরে যাক পুরাতন, ছিঁড়ে থাকা
এস্রাজের তার।
সুর তার বেজে যাক গোপন অভিসার
স্বপ্নের মায়াজালে বোনা।
সব প্রেম হয় জেনো শোনা।