গদ্যের পোডিয়ামে অমিতাভ সরকার

এখানে পিঞ্জর
জীবনের জানা অজানার আলো আঁধারি সকালে চা বিস্কুটের কুয়াশা ধোঁয়ায় স্টেশনের সুদূর যাত্রাপথে বেরিয়ে পড়া।এখানে সাদা কালো টেকো রংবেরঙের টেকসই পরচুলা মাথার বিপুল মন সমাবেশে ভর্তি অভিসন্ধি ভাবনায় সংঘটিত রোজকার সংঘর্ষে সময়ের রোদ সমাগম।মাথার বিরাম নেই। কথা কখনো
অনেককিছু আগেভাগে না বুঝেই গায়ে মাখা।একবার গায়ে স্ট্যাম্প পড়ে গেলেই ব্যাস্।তুলবে কার সাধ্যি!
শব্দের রোদজ্বলা রাস্তায় ভাবনার মৃত বিস্মৃত গলিত বস্তাপচা শৈশব।সুযোগ পেলেই বমি করে উগরে দিতে প্রস্তুত। এর মধ্যেই ব্যস্ততার চলাটা ঠিকই থাকে।
সময় তো আর এমনি গড়ায় না।অনেককিছুর মধ্যে দিয়ে গড়ায়।যার যা ভোগ থাকে,ভুক্তভোগীরাই সেটা বোঝে,অন্যরা শুনেই থাকে, চিন্তা করে, আর মনের অগোচরে ভাবে এটাই হওয়া উচিৎ ছিল। সবাই এখানে বক্তা,শ্রোতার ভূমিকাটা উহ্যই থেকে যায়।
অঙ্কটা সবাই জানে,কিন্তু সঠিক সমাধানসূত্রটা কেউ বলে না,বলতে চায় না,পাছে কঠিন অঙ্কগুলো ঠিক করে পুরো নম্বর পেয়ে যায়।
আসলটাই পিছনে।সামনে শুধুই মধুরতা। তাই ঠিকটাই ঠিকঠাক বুঝতে অনেক সময় লেগে যায়।
সমাজ নামেই এগিয়েছে,এগিয়েছে কথায়, কলমে।মানসিকতা সেই একই আছে।
আগে যেটা অন্তরীন ছিল ঘরের মধ্যে,এখন তার থেকে বেরিয়ে পথে নেমে চলতে শুরু করেছে মাত্র। এখনো অনেকটা পথ চলা বাকি।