কবিতা মগ্ন প্রাণ।অবসরপ্রাপ্ত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক । দশাধিক কাব্যগ্রন্থের স্রষ্টা।"কবিকর্ণিকা" -কবিতাপত্রের সম্পাদক।
কবিতা
প্রারম্ভিক প্রতিবেদন
১।
গীতবিতান থেকে একটা ঢেউ সকালে ব্রেকিং নিউজের পাশ দিয়ে আগরওয়ালের বাড়ির ছাদে পায়রা উড়ে যাওয়ার মতো মফস্বলের বিস্ময় মাখা সবেমাত্র রোদ আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশের গায়ে ছায়া সরাল।বাতাসে কোন বাহবা নেই,মূলত। উঁইলাগা কঞ্চির বেড়ার ওধারে সব সুখ। ওই খানে ফোটাফুল বসন্তবাহার, হাসপাতাল কোন রাগের মরসুমে মশগুল নয়,সমস্ত এ্যান্টিবাওটিক ফেলিওর হলে ছায়া ঘনায় বনে-বনে। প্রতিটি অক্ষরপরিচয় অজানাই থাকে ,জানার পিছনে দি ওয়ার্ক ইস প্রসেসিং লেখা সাইনবোর্ড,,,
২।
বিস্মরণের একটা ওয়াই ফ্যাক্টার থাকে। শূন্য স্কয়ারের ডিভিডেন্ট বুঝতে না-পারা মার্গ সংগীত যে পথ দেখায় তা পথের পাঁচালি নয়,অপেক্ষমান চাঁদের কণা- টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি। ওয়ার্ক লোডহীন তৎপরতা যে কোন অলংকার শাস্ত্রের প্রতিবন্ধকতা তৈরিতে বড়সড় ধ্বস নামাতে ওস্তাদ।তাহলে কি সিগারেটের ধোঁয়ায় শুধু রিং ছোঁড়া? উত্তর, ঝাগড়া চুলের ঝাঁকুনি জানে, প্লাসে প্লাসে মাইনাস আর মাইনাসে মাইনাসে জোড়া শালিক!
৩।
প্রচ্ছদের আড়ালে কিছু বর্ণ লুকিয়ে শিস দেয়। ফেসিয়াল করা মুখ উজ্জ্বল হয়ে ফোটে একটা বিড়ম্বিত বিড়ালের সমস্ত রহস্য নিয়ে। হারপিকও হার মানে যখন আই কিউ ধরে ফেলে কোমরের গোপন অভিসন্ধি। ব্যথা মেরে ফেলার কিছু ট্যাবলেট কিছু চিরুণদাঁতী অন্বেষণ আর বর্ণের পেছুনে অবর্ণনীয় কথকথা। ভোরের পায়রার মতো শান্ত নিবিড়, কিছু যুক্ত ব্যাঞ্জনবর্ণীয় ঘৃষ্টধ্বনি ঘোড়ার হ্রেসা,নিখুত তুলির টান বিশেষণে সবিশেষ কহিবারে পারে।এক্স বা ওয়াই ফ্যাক্টার গোলমাল হলেই হট কেক বিক্রির অস্থিরতা,,