T3 || আমার উমা || বিশেষ সংখ্যায় অমলেন্দু কর্মকার

দেখা

মুচকি হাসিটা কেন যেন চেনা মনে হল ; পিছনে ভারি ব্যাগ, চোখে বড়ো ডায়ালের ব্রাউন সানগ্লাস। কিছু বলার আগেই বাঁ হাতে সানগ্লাসটা একটু টেনে বললে ‘আরে ! বিকাশদা না ?’
বাসস্টপের ভিড় ঠেলে কাছে গেলাম, ঠিক কতোটা কাছে গেলে পঁচিশ বছরের অতীতে যাওয়া যায় জানিনা।

মুহূর্তেই টোলপড়া মৃদুহাসি দিয়ে বললে- আমি বৃষ্টি, চিনতে পারোনি নিশ্চই !
না – মানে – একটু -ওই-
চোয়ালখানা বেশ শক্ত করে ও বললে – তুমি আর পাল্টালেনা; কি করছো এখন? কোথায় থাকো? চাকরি বাকরি… ?

একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ভাবছি, নব্বই এর দশক আর আজকের মধ্যে এতোটা ব্যাবধান !

… তুমি যাচ্ছো কোথায়?
প্রসঙ্গটা পাল্টে জিজ্ঞেস করলাম।
স্কুটির চাবি দিয়ে চোখ ঢাকা বেহায়া চুলগুলো সরিয়ে বৃষ্টি একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললো – ‘হোস্টেলে , মেয়ের কাছে’।
বাস এসে দাঁড়াতেই ও খসখস করে লিখে এক টুকরো কাগজ আমার হাতে গুঁজে দিয়ে বাসে উঠে গেল।

খুলে দেখি ফোন নম্বর দিয়েছে, চোখ পড়ল সূর্যটার দিকে ; দেখলাম বিকেলের লাল সূর্যটা একটা কালো মেঘের আড়াল থেকে ঘোলাটে হয়ে উঁকি দিচ্ছে , ঝড় এবং বৃষ্টি দুটোই আসতে পারে ।… …

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।