কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জল

বিদ্রোহ নাভিশ্বাস

শিক্ষকতা করবো কি করবোনা?
নাভিশ্বাস উঠে
দেহতরণী অক্টোপাসের ঝাপটার মতো,
চারিদিকে অপমানিত ব্রত নষ্টমানবের ভীড়ে,
পেশা! শিক্ষকতা একি চ্যালেঞ্জ ;
শিক্ষার্থীদের দ্বারা হৃদয়ে চোট,
আইনপ্রণেতারাও
রাখালের মতোই কথোপকথন!
না, কোনো অভিমান নয়,
সচেতন দৃঢ় কন্ঠেই বলি,
ঢেড় হয়েছে মহান পেশা
শিক্ষকতা স্বপ্ন স্বপ্ন খেলা।
আর নয়, ক্ষমা করো,
আমরাও অপরাধী,
শিখাতে পারিনি কোন
আইনপ্রণেতাকে অথবা চলতিপথের
শিক্ষার্থী!
দু’মুঠো অন্ন, গোটা কয়েক পরিধেয়,
আর মাথা গুজবার ব্যস্ততায়
অথবা একটি আবাসের চিন্তায়,
নৈতিকতা শিখাতে পারিনি
গুরুমহাশয় আমরা ক’জনা।
তা-ই তো অবেলায় চিৎকার বলি
ক্ষমা করো,
কলমপেশা নিত্যদিনের ভোগান্তি পোহাতে
রঙচটা অমানবের বিরুদ্বে ;
মাথা উচু করো, শুধু হস্তে লিপিকায় নয়,
প্রয়োজনে লাঠিয়াল বাহিনী হয়ে
অপাংক্তেয় বর্বর পোশাক পরিহিত
ব্যগ্র গাত্রোত্থান শ্রেণীর পিঠেরনালা ভেঙে দাও ।
দীপ্তি জ্বালাও, নীতি নির্ধারনী
সবুজ শ্যামল কোমলপ্রাণ নীতিবাদী মানুষ গড়ার।
কারিগর হবো নতুবা ব্রতকথা ইতি টানবো।।
এসো দেশ গড়ি প্রিয় শিক্ষক সমাজ
মাষ্টার দা সূর্যসেন মতো মাথা উঁচু করে।।

Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!