কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল (গুচ্ছ কবিতা)

১। তোমার অঙ্গনে
ভরা জ্যোৎস্নায় চাঁদ –
দুচোখে মননের অনন্ত অঙ্গন
খুঁজেছিল কার ছায়া!
শ্রাবণ বৃষ্টি এসে-
প্রানের উৎসব ঝরে যায়
সেই প্রথম জীবনের প্রেম যৌবন!!
জমাট বেঁধেছে রোদ বৃষ্টি -অজস্র ধারা
রঙিন প্রস্ফুটিত বৃত্ত, গোধূলি নামে তুমি
একটি সূর্য ম্লান।
কোমল প্রেমে নবতরঙ্গ বসন্ত
রঙিন জীব তাঁরা মায়ার মোহনজালে,
তষ্কর তৃষ্ণা জুড়ায় মায়াময় আদিত্য
রসায়ন শারীরবৃত্তে।
তৃষ্ণার্ত ঠোঁট, মায়াময়রূপ থতুনী,
হরিণী নয়ন, তীরকাঠা নাসিকা,
অবাক ভ্রমণে হৃদয় কাব্য তুমি।।
২।
ফিরে এসো বেত্রাঘাত – ক্রোধ আর অপনয়নে!
সন্তানের সুশৃঙ্খল বিন্যাস বণ্টন,
বিশ্বজোড়া খ্যাতিলাভ – বিজ্ঞান চর্চার নবরূপে! আলিঙ্গন হবে জ্ঞানীর জ্ঞানবিদ্যায়।
জীবন পথে, চলন্ত ট্রেনে – তারাই রাজা বাদশা
আলোর সঙ্গে পরিচয় যে গুরুমহাশয়ে!
সৃষ্টিশীল সংস্কৃতি ছড়িয়ে চটকলকর্মী
উজ্জীবিত হয়ে আলোকিত বেত্রাঘাতে।
শুভ উদয়ন ঘটুক শিষ্য ও গুরুমহাশয়ে
জীবন্ত বীজের দুর্মূল্যের নষ্টসমাজে,
ফিরে আসুক সৌম্যরূপে ঘড়ির কাটা বেঁধে
জয়জয়ন্তী গুরু-শিষ্য অক্টোপাসে।।