কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল

কুচাইল্যা মিয়া

কুচাইল্ল্যা মিয়া তুমিঃ
ধান্দা হচ্ছে অ্যাপ্রোন
অনুভূতি প্রকাশ – শব্দে ঘুরে
সর্বগ্রাসী কমিশন
কোথায় নেই তোমার অনাসৃষ্টি-
কুসুম কমান্ড পোস্টে
তুমি অধিপতি!
কর্মক্ষেত্রে – জ্বেলে দাও
প্যাচানোর কোনো ফন্দি ফিকির,
অধ্যক্ষতা নিসর্গ স্থপতির নকশায়
মগজে কারফিউ শিথিল
বীজকোষ -বিষ,
তেমনি আবার বেওয়ারিশ অর্থ মিললে
পূর্বের নীতিমালা বেমালুম ভুলে
পকেটে ভরো অন্যদিকে চেয়ে।
নীতিজ্ঞান বলে
হয়ে যা-ও সবজান্তা শমসের,
বাহাদুর প্রতিষ্ঠান প্রধান বটেই তুমি!
কোনো দাবী নেই
যদি হিস্যা মিলে হালুয়া মন্ড মিঠাই।
“অনেকে অনেক কিছু চেয়ে নিচ্ছে,
স্ত্রী বন্ধক রেখে ”
সকলেই চায়ঃ
কেউ বাড়ী,কেউবা নারী-
কারো বা খ্যাতি!
আমার সামান্য দাবী বস্ত্র,শিক্ষা বাসস্থান,
তা নিয়ে চলন্ত সাবওয়েতে দাঁড়িয়ে আছি।
কুচাইল্যা লোক গীতি পূর্বকথনঃ
রাষ্ট্রনীতি বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ
দারুণ সব নোটের
স্বপ্নময় বা অন্যকিছু –
সার্টিফিকেট দেয়
দে-শ মাতৃকামূর্তি অবয়বে
পাদ পদবী ধারী গরিলার দল।
সবাই এক অম্বিকা স্রোতের মতো
আর্তনাদ জ্বলন্ত উনুনে
চাই চাই
শুধু লুন্ঠন দস্যুতার অবর্ননীয় নজীর,
ভূমিদস্যু ভূমিরীতির দণ্ডদ্বারা
স্বপক্ষে আনিয়া
মালিকানা স্বত্ব অধিকার;
রীতিনীতি অনুসৃত পথ
নিয়ে যায় শয়তানের দল-
যাকে ইচ্ছা তাকে বানিয়ে দেয়
রাজামহারাজাঃ সহগবেষক।
আমার দিবস শেষে
প্রয়োজন রোদ-বৃষ্টি মুক্ত ঘর,
মুক্ত মঞ্চে
খাদ্য আজি শকুনি শিয়ালের
কাছে,
ভগ্নাবশেষ দেহে অদ্য আমি
শকুন শিয়ালের পাশে :
তবু হাঁটি, ফুল ফুটুক
অভিমানী মানবতার মানুষগুলোর!

হায়েনার হিংস্রতা অবলীলাক্রমেঃ
আমার মৌলিক অধিকার ডুবন্ত সাগরে
নিমজ্জিত রণতরী ডুবে গেছে বহুবার।
যদিবা কোনদিন অলৌকি শক্তিতে
রাক্ষুসীদের হার মানে!
উপযোগিতা সঙ্গে যুক্ত হবো
আমি, তুমি, আমরা আত্মতুষ্ট হবে
প্রিয় স্বদেশ,
পরিত্যাগপূর্ব্বক,দৃশ্য থেকে অদৃশ্য
সবকিছু পরিপূর্ণ সৃষ্টির
সোনালী রঙে ভরে উঠবে :
গাছপালা, নদী-নালা-
অদ্ভুত দর্শন শাস্ত্রে- স্বপ্নময়ী দে-শ।
যদি ভাবনার বিষয় হলোনা সফল ;
কুচাইল্যা মিয়া, ভাসিয়ে দিবো
তোমায়
মৃত্তিকা যেখানে সমাপ্তি,
অদৃশ্য রণ-অগ্নি সারথি।।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।