|| T3 নববর্ষ সম্ভারে || আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল

১|
মুগ্ধ করেছে রুপ,
সেতো বহুদিন আগেই!
হারিয়েছি বৈশাখী সাংস্কৃতিক
মেলায়,
দেখেছি যখন
গান ও কবিতার সুর!
সেই মঞ্চতে স্মৃতির এলবাম,
তুমি আমি সব।।
২|
আমার স্বপ্নের
কোনো পথিকের বেশে,
তোমাকেই বলি
বড্ড ভালোবাসি
তোমারই ইন্দ্রিয় নৃত্য,
যার পরনায় সক্রিয়
দেখবে আঁধারের নীল আমি!
৩|
কেমন আছো,
এবার দিও একটি ছবি,
হয়তোবা কদাচিত কিংবা অন্য
ছবির মতো,
লিখবো একটি কবিতা;
উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দিবো
বাংলা কবিতা পাঠের আসরে,
উপসংহারে লিখবো
ভালো থেক সুস্থ থাক যুগযুগান্তর।
৪|
আমার ঘাটে আসলে তুমি
নববর্ষের আয়োজনে, ১৪২৯
শুভ নববর্ষ,
বাঙালির প্রিয় উৎসব
চলুক সৃষ্টির সুখের উল্লাসে।
৫|
আমার প্রিয় ফুল দিলাম
সাথে মায়াবী রাতের চাঁদের মেলা ;
ভালো থেক সুস্থ থেক
যদি বেঁচে থাকি,
কথা হবে
তোমার সফলতা কামনা করে।
৬|
স্মৃতি রোমন্থন অদৃশ্য হৃদয়ে
তোমার কিশোরী বয়সের
ছদ্মনামে ; স্বর ও ব্যঞ্জন বর্নে,
গদ্য পদ্যে কতটা
আবেগ অনুভূতি।
৭|
প্রেম যতটুকু বোঝা যায়
তারচেয়ে বেশী শক্তি তুমি,
কবিতা লেখার উপকরনে
আর ফাল্গুনীর রঙে রাঙানো ভূবণ।
৮|
ছন্দ প্রানবন্ত চমৎকার রূপে
রহস্যের সঙ্গে যুক্ত তুমি,
এ যেন শ্রাবণের মেঘগুলো
উঁকিঝুঁকি, স্বপ্ননীল আকাশের মতো,
অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ।
৯|
চাঁদে হেঁটে হেঁটে
তোমার সন্ন্যাসীর সঙ্গে যুক্ত করে
এসেছি আমি
আটলান্টিক সাগরের দিকে;
তাকিয়ে দেখি সন্ধি হয়েছে
হৃদয়ে রঙে রাঙানো ভূবণ
যদিওবা তুমি কখনো দেখো
বুড়ো শালিকের ওড়াউড়ি
তবুও অবেলায় কেন!
পদ্ম ফুলের গন্ধ,
তোমার দিকে তাক করে রাখি।
১০|
তুমি আমার ভালোবাসার
শব্দ চয়নে,
যেমনটি তোমার অভিব্যক্তি,
কন্ঠে প্রতিধ্বনিত হরহামেশাই,
এবং মননশীলতায় তুমি।
এই সমস্ত আর্কষন
এক অদ্ভুত চুম্বক,
শুনতে না চাইলেও পুনরাবৃত্তি হচ্ছে
নিশির ডাকের মতো।
তোমার সীমাবদ্ধতা প্রক্রিয়াগত
বিভিন্ন বিষয়,
কথোপকথনে শেষ হয়ে যাবে
কিন্তু তোমার শব্দের, চিরচেনা কথা
কর্নে বেজেই চলছে, অতীত ও বর্তমান।