কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল (গুচ্ছ কবিতা)

১। “হৃদয়ের শিউলি বকুল”
তোমার নাসিকা যেন
আমার রঙিন স্বপ্ন, শিল্পীর রঙে অপূর্ব সৃষ্টি ,
তোমার ঠোঁটের কারুকার্য শোভিত রূপের মায়াবতী মুখে সুবার্তা আনন্দ।
তোমার চোখের হরিণী মায়ামৃগ চাহনি, পলক
আমার হৃদয় ছুয়ে যায় ;
অতএব, তুমি আমার চাঁদের আলো।
তোমার লাল গোলাপের মুখের মসৃণতা
যেন একফালি চাঁদের আলো;
তোমারই অপূর্ব চুলের গোছা স্বপ্নের মতো আল্পনা।
কর্ন দু’টো যেন আমার লেখা জীবন কবিতা ;
আর গোধূলি লগ্ন লাল গোলাপের ফুল মিলকরণে তোমার থুতনিতে প্রচন্ড আবেগের টান।
তুমি আমার অদৃশ্য হৃদয়ের শিউলি বকুল।
২| নিবেদিত আমন্ত্রণ
তুমি যখন অট্টহাসিতে,
তোমার বন্ধুদের সাথে,
আমার কি কষ্ট হয় না!
ভেবেছো কি কখনো,
নদী যখন সাগরে নিমজ্জিত
হয়,
ডোবা নালা পুকুর ঘিরে থাকা
অজস্র কষ্ট রোদ-বৃষ্টি ঝড়ো হাওয়া !
ভাবনার সময় নেই, কে নদী কে পুকুর,
শুধু সম্মুখে বহির্মুখে পালতোলা।
নদনদী সাগর কে ভালেবাসে?
পুকুরের চৌহদ্দির মধ্যে- ভালোবাসা :
প্রাপ্তি যা-ই হোক,
তবুও অবেলায় কষ্টের খবর
রাখে কে?
আমি তুমি সে, সময় নেই
অসমাপ্ত আত্মজীবনী
কথামালা শোনাবার তরে!
মনের ইচ্ছে গুলো
কবিতা হয় এ-ই অষ্টাদশ কুমারী
মেয়ের সুরে
সাধনায় কোন অগ্নি সারথি
জলজ উদ্ভিদের বর্ণ
চিহ্নিত অংশে তুমি কি?
আমার খোঁজ খবর রাখো।
রুপোলী রূপবতী তরুণীর
সুরম্য নিবেদিত আমন্ত্রণ
ভুল হ’য়ে কবিতা বই
মেঘলা দিনে ঘটে!
এখনো বহু কথা
আমার ভালো লাগলেও
তোমার কাছে বহুকিছু অজানা ;
সুখ শান্তি বহে
তোমারই মসৃণ অবয়বে।
ভালো থেক সৃজনশীল
রূপবতী তরুণীর সুরম্য ভালোবাসা।।