গুচ্ছকবিতায় অঞ্জলি দে নন্দী, মম

১| সাফল্য

কঠোর আদর্শের পথে
চলে সৎ – এ
সাফল্য অর্জিত হয়।
নীচে থেকে নিন্দুকে কয়,
কতই না কুকথা
বিদ্বেষ, জ্বলনে অযথা।
এটাই তো বাস্তব সামাজিকতা।
জীবনের এর না হয়
কভুই অন্যথা।
সফলতা ও নিন্দা, দু সমান্তরাল।
এ চলে আসছে অনন্তকাল।
কেউই থেমে নাই।
সাফল্য চলে।
নিন্দাও চলে।
মোকাবিলা – এ দুয়ের করতে হয় একাই।
শক্ত হতে হয় তাই।
সাবধান!
নিজেকে কোন পথে চালাচ্ছ?
তুমি নও নিন্দুক তো?
তুমি সাফল্যের পথে তো?
মনে রেখো অনন্তকালের নয় যে প্রাণ!
এ জীবন বড় দামী!
সময়ের সদ্ব্যবহার কর তাই!
নিজেকে প্রশ্ন কর –
হে আমার আমি!
তুমি কি অন্যের সাফল্যে নাক গলাচ্ছ?
নিজের নিত্য কর্মকে সফল কর!
আপন পরিতৃপ্তিতে আপনারে ভর!
সফলতার অমর ইতিহাস গড়!

২| আমার স্বপনের জাগরণ

ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে
লাখ টাকার স্বপ্ন দেখি আমি।
স্বপ্ন দেখতে আমি পিছু পা নই।
যদি পারতাম দেখতে ছুঁয়ে
নোবেলজয়ীগণের পুরস্কার ওই।
তা কি হয়?
বড্ড যে নামি-দামী!
তবুও স্বপ্ন যে চোখ ছাড়ার নয়।
আমার বাধ্য নয়।
নিজের ইচ্ছায় যখন তখন হয়
বন্ধ চোখেতে হাজির।
তখন জেগে উঠে আমি
আবৃত্তি করি কবিতা –
বিদ্রোহী কবি কাজীর।
প্রভাতের জ্বলন্ত সবিতা
আমায় ডেকে বলে,
আমি জীবনের স্বামী।
কভু ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখি না আমি।
দূর করি সকল আঁধার যাম-ই।
আপন শক্তি বলে।
তাই তো বাস্তব আমি।
চিরসত্য আমি।
আমার নিয়মেই তাই সময় সদাই চলে।
আমি বলি, তোমার অন্তর কেন তবে জ্বলে?
ও বলে, তাই প্রতি পলে
প্রেম ঢালতে পারি আমি।
আমার স্বপ্ন দূরে যায় চলে।
ছেঁড়া কাঁথাকে যায় দুপায়ে দলে।
বলে যায়, পড়ে থাক তুই!
তখন আমি ঐ পুরস্কার ছুঁই।
আর সবিতার উদ্দেশ্যে মাথা নুই।
বুঝি কর্মই চাওয়া পাওয়ার বলিষ্ঠ ভূঁই।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।