জন্ম ১.১.১৯৬৭, কলকাতায়, আদতে বীরভূম জেলার রামপুরহাট মহুকুমার অধীন জেন্দুর গ্রামের বাসিন্দা,যদি ও বেড়ে ওঠা সিউড়ি তে,পরবর্তীতে পেশা গত কারণে কলকাতার বেহালার বাসিন্দা। কবিতা নির্মাণে আত্মপ্রকাশ নববুই এর দশকে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ উড়ে যায় নীল অক্ষর, অনুভব ও বাল্যপ্রেম, বৃষ্টিকণা শ্রাবণ সুখ, ও চূর্ণি নদী তে মধ্যরাত। জলজ এস্রাজ প্রকাশের অপেক্ষায় । "এখন ময়ূরাক্ষী " বলে ছোট কবিতা পত্রিকা সম্পাদনার ও দায়িত্বে আছেন
অনঅভিপ্রেত মৃত্যু
দৃশ্য ১
এক গুচ্ছ হাওয়া উড়ে আসছে
মিসিসিপি নদী থেকে
রক্তাভ বিকেল নিয়ন আলোয়
মিশে গিয়ে আরও ও রঙিন
জর্জ ফ্লয়েড হেটে যাচ্ছে
হাতে কয়েকটা সিগারেট ও
হয়ত জাল নোট!
বিচার হতে পারত?.
কিন্তু রাষ্ট্র যন্ত্র হাটুর নীচে রাখল
জর্জ ফ্লয়েডের মাথা,ক্রমাগত চাপ
তবু ও নিশ্বাস নিতে চেয়েছে
বাঁচতে চেয়েছে, আকাশ দেখতে চেয়েছে
শেষে স্পন্দন হীন জর্জ ফ্লয়েড
মিনোপোলিস আকাশ জুড়ে অদ্ভুত মেঘ
রাস্তায় মুঠিবদ্ধ হাত,ওপরে আর নীচে
প্রতিবাদ ঠিক শেষ মুহূর্তের
জর্জ ফ্লয়েডের চোখের মতন
দৃশ্য ২
শালদহ নদী জুড়ে স্রোত
কোটালীপাড়ার আকাশে
উড়ছে পাখি, গাইছে আনন্দগান
যেখানে নদী, তার কাছেই ব্রীজ
সেখানেই নিখিল তালুকদার
হাতে ধরা কয়েকটা তাস! বিকেল গড়াচ্ছে
বিচার হতে পারত?
সেই রাষ্ট্র যন্ত্রর হাটু এল নিখিল তালুকদারের
মেরুদণ্ডে, চোখে লাল, নীল নকসা্
দেখতে দেখতে কালো হয়ে গেল পৃথিবী
প্রতিবাদে স্রোত ভাঙছে পাড়,ধ্বসে যাচ্ছে তীর
চোখ থেকে গলে পড়ছে মোমের মতন জল
দৃষ্টি শূন্যে ভেসে থাকা ঘুড়ির সুতোর মতন…..
রাষ্ট্র যন্ত্রের কাছে মানবতা ডোডো পাখির
ডানা থেকে পড়ে যাওয়া পালকের মতন