দীর্ঘ স্বপ্ন আড়াআড়ি দৃষ্টি রেখে গড়িয়ে গেল
টিলার ওপর থেকে…
দেখতে দেখতে রাতটা কেটে গেল
সকাল থেকে খুঁজতে থাকি
বোধহয় অরণ্য পথ ধরে শালবীথির ভেতর
দিয়ে চলে গেছে দূরে অনেক দূরে কোথাও…..
আর ও খুঁজি নদী তীর বরাবর
একটা পালতলা নৌকা ধরে ধরে অনেকদূর
ক্লান্ত হৃদয় গুছিয়ে রাখে অক্ষর গুলো..
এসে বসি কেন্দুয়া ডাঙায় বটগাছের তলায়
শাখা প্রশাখায় এক ইতিহাস হয়ে আছে
ভাবি যদি খুঁজে পাই এই মালভূমি উপত্যকায়
নিয়ে যেতে বলব এক রহস্যময় শূন্যের দিকে
এঁকে ফেলব সব গল্পকথা
আরও অনেক ঋতুকাল অপেক্ষায় থাকব
কত যে ডাহুক দুপুর ভেসে যাবে…
তবুও ঐ দীর্ঘ স্বপ্ন গুলো গড়িয়ে যাবে টিলা থেকে
আড়াআড়ি দৃষ্টি রেখে, আড়াআড়ি দৃষ্টি রেখে…
প্রত্যাশা
চোখে রয়েছে তাদের উদ্বেগ, হাতে ধরা প্রত্যাশা
স্থির দৃষ্টি স্কুলের গেটের দিকে….
গেটের ভেতর দিয়ে চলে যায় আত্মজ
তবুও পলক পড়ে না, দৃষ্টি ছুঁয়ে ছুঁয়ে যেতে চায়
এভাবে দাঁড়াতে দাঁড়াতে প্রত্যাশীরা
হয়ে যায় সব বন্ধু
আলোচনা চলে পার্কের সবুজ তৃণভূমির ওপর
চারিদিকে আকাশ ছোঁয়া গাছ,
আর পাখিদের যাওয়া আসা,
ক্লাসের হোম ওয়ার্কের দেওয়া নেওয়া
ওরা সবাই আকাশ দ্যাখে…..
আবার শুরু হয় নতুন ভাবে অন্য জীবন
দিন গড়িয়ে গড়িয়ে বিকেল আবার স্কুল গেট
আত্মজকে নিয়ে বাড়ির পথে….
এই ভাবেই শেষ হয়ে যায় ফেলে আসা জীবন
মাঝে মাঝে ব্যালকনি থেকে চোখ চলে যায়
অর্ধবৃত্ত চাঁদের দিকে
বলাকার মতন চলে যায় যখন মেঘের ভেতর…..