কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলিনূর চৌধুরী

বন্দি
হতাসার নিরবচ্ছিন্ন জ্বালে
তুমি, আমি, আমরা আটক,
হয়তো বলতেই পারো, নিছক
নয়, ছঁকে আঁকা নিখুঁত ফাটক।
এখান থেকে বের হওয়া যে
মোটেই সহজ কাজ নয়,
জয় পরাজয় যাই থাক না
বুঝে নাও, এটি মরণ ক্ষয়।
দেশী স্বপ্ন গুলো পাখা মেলছে
নতুন পালকে ঘিরেছে, আঁখি,
অগ্র-পশ্চাতে দেখি অন্ধকার
বাজে টুংটাং, সুরা ও সাকী।
আকাশে মেঘের পালক,চমকায়
নদীর বালিয়াড়ি, চুষে নেয় জল,
এখানেও খুঁজি,স্বর্ণ কোমল, ক্রাস
হুল ফুঁটিয়ে মেপে নেয়,তার তল।
জলে ঢেউ ভাঙলেও বিপাক, দেখি
ক্রোধের আগুন, খসায় জরিমানা,
অসিলার নেই শেষ,নবরূপে আসে
লাভের জোয়ারে,ভাসে তাম্বুলখানা।
আমের আঁটি চিপিতে,যে সিদ্ধহস্ত
চুষে, নিঃশেষে আনে বের করে রস,
সে নাকি জনদরদী,সমাজ সেবক
তাও, চাষাছোলা, নেই রসকস।
তারই ফাঁটকে,অঘোষিত আটকে
আঁখিজলে ভাসায়, অভাগীর সন্ধি,
শতরূপে শতবার, হই যে, হতমান
আপন ভুবনে, নিরবে আজি বন্দি।