T3 || ঈদ স্পেশালে || লিখেছেন আশির ব্রত চৌধুরী

১| প্রাণ পেয়েছে প্রতিমা

বাহক কোনো সতর্কসংকেত বুঝে না
সে জানে, স্বপ্ন কোনো ইঙ্গিত নয় অভীপ্সা মাত্র।
অভিযাত্রার দূরদেশে
অনেক হাতছানি থাকে।
আক্রোশে দ্বিধা একটি উপমা।
হতাশ হয়ো না সন্ধি। নিবিড় চলনেও একটি বিরতি দরকার।
প্রাণ পেয়েছে প্রতিমা
সময়কে দর্পণের সামনে এনো।
নিভে যাওয়ার আগে জ্বলে উঠেছে লণ্ঠন।

২| বিষাদের রঙ

বিসর্জনের পর অবতারণার কোনো মানে হয় না। আর, ঝাপ দিতে
হলে সূর্যগ্রহণের অপেক্ষা করারও দরকার নেই। তবে চোরাগোপ্তা
হামলার জন্যে অপেক্ষাকে দরাজ হতে হয়।
পত্রগুচ্ছ কাউকেই সূর্যকিরণ থেকে বঞ্চিত করে না। তবুও
অন্ধকার ফেরী করতে করতে যারা নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে, তাদের
জন্যে একটি সুষম সকাল এগিয়ে দেয়া ছাড়া আমি আর কিইবা
করতে পারি! আমরা জানি, অদর্শন আকাঙ্ক্ষাকে তীব্রতর করে।
তবুও নুড়ি কুড়াতে হলে স্রোতের বিপক্ষে দাঁড়ানোই উচিৎ।
চেনাশত্রুর হাতে তুলে দিয়েছি রাধামৌসুম। তবে খাত পরিবর্তনের
জন্যে নদীর কষ্টকে কেউ মনে রাখেনি।
গান যেখানে থেমে গিয়েছে সেখানকার বিষাদের রঙ নীল।

৩| বিনিময় সূত্রের ব্যাখ্যা

ভর নিও না ডাল, পাখিকে উড়ান শিখতে দাও। আমরা জানি
আকুতি থেকে কান্নার দূরত্ব খুব বেশি নয়। আর, ফেরত আসা
চিরকুট কখনও প্রাপক খুঁজে বেড়ায় না। তবে লতাকে
অবলম্বন দাও। আস্তরণ ভেদ করে উঁকি দিয়েছে শেকড়।
তবে, গৃহ নিজে থেকে সংস্কার না চাইলে, শুধুশুধু বাতায়ন তৈরি
করে কি লাভ?
নিরবতা প্রকৃত সাগরের উদাহরণ নয়। তবু যদি, কেউ স্বেচ্ছায়
ঢেউ তুলে আত্মাহুতি দিতে চায়, তাকে ফেরানোর দরকার নেই।
প্রসারতার কাছে অঞ্জলি মেলে ধরা, একধরণের অপরাধ।
বিনিময়সূত্র লুকিয়ে রাখাই নিয়ম।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।