T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় অনিন্দিতা ভট্টাচার্য্য

শারদ মানেই কাশের দোলা,
আকাশ জুড়ে মেঘের ভেলা
উড়ছে উড়ুক মনের খুশি
যেদিক পানে হাওয়ার ভেসে।
“অশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জরী….. বাজল তোমার আলোর বেণু”। বাঙালির উৎসবের শুরু এই স্ত্রত পাঠের মধ্য দিয়েই। সেই কাক ভোর ৪টের সময় যখন সূর্য ও উকি মারে না পূর্ব কোন দিয়ে… সে যেন আলাদাই এক জিনিস। পুরো একটা বছর অপেক্ষা করতে হয় এই সাত থেকে আট টা দিনের জন্য। তবু অপেক্ষা যেন সার্থক। মহালয়া থেকে দশমী। আর উপরি পাওনা হিসেবে লক্ষী পুজো, গণেশ পুজো, কার্তিক পুজো, বিশ্বকর্মা পুজো, কালী পুজো। আহা আলাদাই যেন একটা প্যাকেজ। যে যেখানেই থাকুক না কেন মাটির টানে ফিরতেই হয় এই সময়।
সেই ছোট বেলায় বাবার হাত ধরে বড় বড় প্যান্ডেলের ঠাকুর দেখতে যাওয়া থেকে শুরু করে আজ বন্ধুদের সাথে সারাদিনের হুল্লোড়। দুর্গা পুজো খাপ খাইয়ে যায় সব বয়সের সাথেই। আর ওই মায়া জড়ানো দুর্গা প্রতিমা। যে একবার দেখেছে, বস প্রেমে পড়তে বাধ্য। বারংবার মনে হয় দুর্গা প্রতিমার দিকে তাকিয়েই অবলীলায় কাটিয়ে দেওয়া যায় পুরো পাঁচটা দিন। দুর্গা পূজার কথা যতবার ই মনে করা হয় বারেবারে ফিরে আসে এক থেকে আরেক নতুন স্মৃতি। সত্যি অপূরণীয় ও অনবদ্য ভালোবাসা এ এক বাঙালির….
ফিরে আসুক বছরের পর বছর।
“শিবের সনে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী
আশ্বিন মাসে বাপের বাড়ি আসেন ভগবতী।
বলো গৌরী এলো, দেখে যা লো…..”