জন্মের প্রথম শুভক্ষন – এ অরিজিৎ বাগচী

মল্লিকাদি এবং মায়াচাঁদ
অবিরাম প্রবাহ তোমার ,
বিস্তৃর্ণ হয়ে আছো –
ধ্রুবতারা থেকে রৌদ্রপাতের আনাচে কানাচে ।
তরুণদের ভেঙেচুরে লেখা সমস্ত কবিতার মাঝখানে যে অস্ত রঙ লেগে আছে তা তুমিই ,
শুনেছি, তোমার বাড়ি গেলে কেউ অভুক্ত থাকে না
শুনেছি , কেউ তোমার প্রিয় মানুষটির কুৎসা করলেও তুমি তোমার ভালোবাসা কে ভুল বোঝো না ,
শুনেছি তুমি তোমার বৃত্তে বিপ্লব
শুনেছি তুমি তোমার স্পর্শে আগুন
তবুও দেখেছি তোমার কপালে
দিগন্ত জোড়া মায়া চাঁদ উঠতে
তুমি মানুষের পাশাপাশি লিখে গেছো ক্ষয়ের সংলাপ,
সমাজ কে কান ধরে বুঝিয়েছ
যে ধরাশায়ী নক্ষত্রের আলোয়
রাতের দিক নির্ণয় হয়, তার নাম নারী ।
তারপর উথালপাথাল –
তুমি মল্লিকা থেকে ফুল
ফুল থেকে মা
মা থেকে আলো হয়ে গেলে।
রাস্তা দিয়ে অজস্র মানুষ হেঁটে গেল তোমার বাড়ি
আমি কিন্তু তোমার বাড়ি যাইনি ,
তুমি বাদে যে অর্ধেকটা পৃথিবী তখনও পড়ে ছিল, সেখান থেকে নামিয়ে রাখতে ব্যস্ত ছিলাম সমস্ত লাল রঙের পতাকা ।
সেই দিনের পর –
আমি তোমার বাড়ি আর কখনও যাইনি
সেই দিনের পর-
আর কোনো দিন জোড়া শালিক ঘুরে বেড়াতে দেখিনি এখানে ওখানে।