কবিতায় বলরুমে অমিত বাগল

শুভ বিজয়া
ও
২৫-শে ডিসেম্বর
আমাদের চাঁদ সাহেবের আমাকে দেওয়া ভালোবাসা উল্লেখযোগ্য …
চাঁদ সাহেব আমার RM (Relation Manager ) ছিলেন ,এখনও আছেন, শুধু আমি আর নেই তো…নো মোর কনটিনিউ …
স্যার আমাকে ভোলেন নি ,আমিও ভুলেছি নাকি ডিসুজাকে, সোফিয়াকে… সে ছিল অনেকটা আমাদের ইনটারেকসান!
আমার পেনশনের সারামাসের আকাশ-বাতাস খোওয়া গেছে জেনে ইনটারেকসান আমার সংসারের দায়ভার নিতে চেয়েছিল যে
আশ্বিন কী শুধুমাত্র-কেবল একটি সম্প্রদায়ের একার সম্পত্তি ! এমন নীল করে দ্যায় দীঘিজল…
ছোটবেলার দীপাবলীর আকাশে
একবার আমলাদহির তুলোপট্টির পাশের মাঠে বাজী প্রতিযোগিতায় দেখেছিলাম , অতো উঁচুতে উঠেই লেখা হয়ে গেসলো : যত মত তত পথ
এখন হেমন্ত
হিম…হিম…
কোথা গেলো কোথা গেলো তোর-আমার পৌষের ডাকপিওন!রামলাল বড় হয়ে গেছে,ও আর unruly boy নয়…
সোফিয়া ,এই নাও নিখিলের চানজল
রবিউল ,আমি মানি– ঈদের চাঁদেই তিনি চন্দ্রচূড়
ডিসুজা , তিনি অল মাইটি…তিনি পারতেন নিজেকে ক্রুশ থেকে সরিয়ে নিতে, নেন নি…
যেন তাঁর রুধির ধারায় এ ধরনীর যত পাপ ধুয়ে যাক
চাঁদ স্যার , আপনার জন্য আমি আর কী লিখবো !
লিখি : আদাব স্যার।