কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে অরণ্য আকাশ

নদীর বিলাপ
নদীকে জিগাই, তুমি থমকে যাও কেনো?
আগের মত তোমার সেই বহমান স্রোতধারা
দেখাই যায় না; স্রোতস্বিনী ছাড়া বাঁচা যায়?
ভেবে অবাক হই,নির্জীব অদ্ভূত জীবন তো!
এক বুক নিঃশ্বাস ছেড়ে নদী কয়,কোথায়
পাবো স্রোতের কলরব; জীবন যৌবন গেছে,
আছে শুধুই কঙ্কাল চিহৃ; হায় রে কাল!
এককালে এই বুকে নেচে বেড়াতো কতইনা
আনন্দে নানা জলজ প্রাণিকূল,আমিও নাই
ওরাও গেল, জলের বুক জুড়ে এখন শুধুই
বালির চর,কোথাও চাষির ফসলের খেত।
প্রকৃতি যে,এখন আর স্বাধীন নয়,শাসন
শোষণ প্রভাবশালী মানুষের হাতে গেছে চলে
শুধু শাসন নয়,আপন গতিও ঘুরিয়ে দেয় ওরা;
আমি অথর্ব,পরাধীন হয়ে গেছি,ওরা নগ্নভাবে
যাচ্ছেতাই আমায় করে ব্যবহার,আমি যে,বন্দি
পারি কই ইচ্ছেমত জল ছড়াতে,এটাই আক্ষেপ।