এখান থেকে মৃত্যু উপত্যকা
দু সপ্তাহের পথ
মধু মাসের মতো ফসল ঝুলছে
বিষাদ সংকেতে
রাস্তার পাশে কোথাও নিষিদ্ধ সোনার খনি
কোথাও বা বুনো গোলাপ
খাড়া দেওয়ালের মতো পাহাড়-
তার চকলেট রঙের শরীরে
ঠিকরে পড়ছে আনক্যানি আলো
সেই আলোর অলীক প্রত্যক্ষণে
মাঝে মাঝে আকাশটাকে মনে হচ্ছে
উল্টানো কফিন-
আমাদের হাতের তালুতে
এ জন্মের বিদ্যমান সুখ দুঃখ স্মৃতি
স্ফটিক লবণের মতো ঠিকরে উঠছে
আর আমরা সেই আলোতে
লিখে রাখছি কিছু রাত পদ্য…
সিধা রাস্তার বুক চিরে
এখন এগিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি
ঘোড়াটা পাগল
তাই অবিরাম মাথা নাড়ছে
অশ্লীল রুহ এর মতো হেসে উঠছে মাঝে মাঝে
আর তার গলার ঘন্টি থেকে
ক্ষণে ক্ষণে বেজে উঠছে
উপচ্ছায়া মাখা এক নিপবন
“লে মি ডাউন টু নাইট
ওহ ডিয়ার
লে মি ডাউন…
রাত
শুয়ে আছে জানালার কাছে , তার গহন নিঃশ্বাস
যে নারীকে শতভিষা নক্ষত্রের সাথে
বহুবার সঙ্গমে নিরত , দেখেছিল রাত্রিবাদুড়
আজ তার আঁচলে ভাতের গন্ধ , করপুটে শঙ্খিনী চাবুক-
যে সব জ্যোৎস্না ঘোড়া সম্মোহিত নিরালম্ব মাঠে
খুরে তুলে স্বর্ণধুলো , অসীম গ্রীবায়
হ্রেষাধ্বনি ছুঁড়ে দিতো অলীক আকাশে
আজ তারা শ্মশানবন্ধুর মতো উদাসীন
অভ্রখই ছড়িয়ে রয়েছে ঘাসে
মৃতদার গৃহে এক রেড়ির প্রদীপ
এখনো গ্রামান্তে জ্বলে –
সৎকার শেষ করে সে আগুন ছুঁয়ে
ঘরে ঢোকে নির্মোহ পুরুষ …