সম্পাদকীয়

না আমি কোন সম্পাদকীয় লিখতে বসিনি। সম্পাদক হবার ইচ্ছে বা দক্ষতা কোনটাই আমার নেই। আমি টেক টাচ টকের সঙ্গে আপনাদের নিয়ে হইচই করব বলে এসেছি। এই হইচইয়ের মূলে রয়েছে হাসি। ব্যাঙ্গ, বিদ্রুপ্ থাকবে অবশ্যই। আমাদের জীবন থেকে হাসি হারিয়ে যাচ্ছে, ডিপ্রেশনের শিকার হচ্ছি আমরা কমবেশি প্রায় সকলেই। একাকিত্ব বা জীবনের টেনশন আমাদের কাবু করে দিচ্ছে ক্রমশ। এই সোস্যাল মিডিয়ার সঙ্গে আমরাও যুক্ত হয়েছি, আপনাদের সঙ্গে একটু হাসব বলে। মন খুলে হাসি, প্রাণে আরাম দেওয়া হাসিই আমাদের চাই এবং চাইই চাই। একসময়ে বাঙালির উইট্ সেন্স ছিল বিখ্যাত। এখন কি সেই বোধ তলিয়ে যাচ্ছে ভাঁড়ামির আদলে? এই জিজ্ঞাসা আপনাদের প্রতি। ব্যক্তিগত লেখক জীবনের ছোট্ট পরিসরে আমার নিজের মনে হয়েছে, একটা উপভোগ্য রম্য বা একটা স্যাটায়ার লেখা বোধহয় যে কোন লেখার থেকে বেশি কঠিন। সহজ বা কঠিন—এই হিসেবে না গিয়ে, সাহিত্যের এই ধারাটিকে নিয়ে আমরা বরং আপনাদের সঙ্গে আড্ডা দেব প্রতি মঙ্গলবার।
সূচিপত্রের (কবিতা বিভাগ ছাড়া) যে কোন বিভাগে ইচ্ছুক লেখকরা লেখা পাঠানোর জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তাছাড়া মনের মতো কোন লেখা পেলে আমি নিজেও ছিনিয়ে নিয়ে আসব, এই কথা দিয়ে গেলাম আজ। আসুন আড্ডায় মাতি সকলে।
তুষ্টি ভট্টাচার্য