সাতে পাঁচে কবিতায় অনঞ্জন

এ কোন শূন্যতা?

এই যে সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ দুঃখ চেপে বসে আছ

কি লাভ হয়েছে?

পাতাল-প্রবেশে কি যমুনা-পাড়ে

এত যে চোখের জল, না দিয়েছে ছায়া, না আগুণ;

এর চেয়ে ভালো হত যদি বিদ্রোহ করতে,

কিম্বা অবজ্ঞা,

এমনকি নিষিদ্ধ জীবনেও প্রেম আসে, আসে প্রত্যাশা;

এইযে অঘোর দুপুরে একা ঘরে নিঃসঙ্গ সঙ্গীত

আর কাঁপা-কাঁপা বিশ্বাস

এরও মানে খুঁজে পাই।

তুমি আমায় বলবে শূন্যদৃষ্টিতে পাতালে প্রবেশ করতে করতে

শূন্যতার যে অর্থ তুমি খুঁজে পেয়েছিলে-

তাকেই কি রিক্ততা বলে?

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।