কবিতায় বলরুমে সোমা মুখোপাধ্যায়

চিরসখা হে ,,,
প্রতিটি আত্মহত্যার পূর্বে,
কাদম্বরীর কথা মনে পড়ে যায় ।
তেমনই মনে পড়ে যায় —
বালিকা বেলার জ্যোতিষির বিধান ।
অবিলম্বে বন্ধ হোক পুঁথিপাঠ।
নচেৎ ভেসে যাবে সংসার আখ্যান।
কমরেড পিতার অনঢ় সংকল্পে,
পুঁথি স্তূপীকৃত হয় রাশি রাশি ।
এলা অতিনের দ্বন্দ্ব বুঝতে বুঝতে ,
কিশোরী জীবনে প্রেম আসে বালিকার ।
তারপর বিমলার খেলাঘর___
নিখিলেশ বিমুখতা ,
মরীচিকা সন্দীপ প্রেম ,
সব কেমন সত্য হয়ে যায় ।
বিনোদিনী বিহারী মহেন্দ্র আশা
সকলেই ঘূর্ণিপাকে আজও।
চিরকাল কেউ বুঝি ভালো নেই?
অমিত লাবণ্য ভিনপথগামী
তাই কি শেষের কবিতায় প্রেম বেঁচে যায়?
মৈয়েত্রী দেবী আজও আসেন শান্তিনিকেতন।
ওকাম্পো বিবাদ বিচ্ছেদ করেন।
রানু ভানুর পরিশেষে কেন দেখা হয় !
প্রেম ফিরে যায়।প্রেম ফিরে চায়!
গ্রামোফোনে ফিরে ফিরে ভাসে___
তুমি কি কেবলই ছবি ? শুধু পটে লিখা ?
নিশিদিন কমরেড পিতা বাতায়নে সুর চড়ায়
তোমায় নতুন করে পাবো বলে ।
হে পিতা , চিরন্তন সকলের ঘর ভেঙে যায়।
অনন্তের সকলের ঘর ভেঙে যায়।
চিরসখা সকলের ঘর ভেঙে যায় ।