T3 || দোল পূর্ণিমা || সংখ্যায় লিখেছেন প্রদীপ কুমার দে

তুমিই আমার বসন্ত
অচেনা দুপুরের গন্ধ
অচিন্তনীয় স্বপন
আদর মাখা হৃদয়ে
বসন্তের নুপুর খোলার ছন্দ
জাগিয়ে রাখে বাকী সারাদুপুর …
নদীর কিনারায় দাঁড়িয়ে খুঁজি
পলাশ ছেটানো মেঠো পথ
সময় পেরিয়ে যায় অকাতরে
গোটা সূর্যটাকে গেলে
সন্ধ্যাতারা …
ক্রমশ প্রকাশ হয় চাঁদ
চন্দ্রিমার জালে পড়ি জড়িয়েই
রাতের গন্ধ যে বড় চেনা
ভুলের অবকাশ নেই
আঁকড়ে ধরি চেনা ভালবাসাকেই!
বসন্তের মাঝদরিয়ার ঘাটে
লাল জলে মাঝি দাঁড় টানে
ঢেউ কেঁপে কেপে ওঠে
তোমার ছোঁয়ায় খেয়া
মাখামাখা হৃদয় খুলে
বাতাসের মুখোমুখি
আদরের চাদর বিছাই
লাল পলাশের নীচে
তুমি আসবে বলে ….
রাধাচূড়া ছেড়ে পথ খুঁজি
যে পথে তোমার আসার কথা
চড়াই উৎরাই ভাঙি
সে পথ ধরি সোজাসুজি
মনে পড়ে কি প্রিয়ে
গত বসন্ত পূর্ণিমা রাতে
তুমি আমায়
দিয়েছিলে পূর্ণতা?
দিয়েছিলে মেলে তোমার ফুলের রাশ
বুদ্ধনারিকেল অশোক, আকআড়কাঁটা,
হিমঝুরি, ইউক্যালিপটাস,
রক্তকাঞ্চন, কুরচি, কুসুম, গ্লিরিসিডিয়া,
গাব, গামারি, রুদ্রপলাশ
ঘোড়ানিম, জংলীবাদাম, জ্যাকারান্ডা,
দেবদারু, নাগেশ্বর,পলাশ,
পাখিফুল,পালাম, মহুয়া, মণিমালা
শাল, শিমুল, স্বর্ণশিমূল রক্তপলাশ
মাদার মুচকুন্দ পলকজুঁই, আর ক্যামেলিয়া।