T3 || কবিতা দিবস || বিশেষ সংখ্যায় সঙ্ঘমিত্রা ভট্টাচার্য

অস্তমিত সূর্যে রাঙানো পৃথিবী
কোনোদিন অস্তমিত সূর্যে রাঙানো পৃথিবীকে দেখেছো?
কি যে মায়া ছড়ানো থাকে চারদিকে!
কিন্তু সেই মায়া শুধুই মুহূর্তের ক্ষণিক মাদকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
তারপর চারিদিক শুধুই আঁধার আর আঁধার।
তবুও যার জন্য তুমি এতো আঁধারেও এক বিন্দু আলো খুঁজে পাও—
তার মায়াতেও যে তুমি অবচেতনে এখনো বাস করো!
সে কথা তোমার মনে এখনো রেখাপাত করে কিনা—
তা আমার জানা নেই।
জানো ইচ্ছে ছিল তোমাকে নিয়ে নিরিবিলিতে একটা ঘর তৈরী করার।
ইটের উপর ইট গেঁথে বাড়ি তৈরী হোলো অনেক।
কিন্তু একটা ঘর তৈরী হলো না।
যতবারই ভেবেছি ততবারই একটা এলোমেলো ঝড় এসে সব তছনছ করে দিলো।
সমুদ্রের বালিয়াড়িতে বাস করে ঘর বাঁধার স্বপ্ন জানি নির্বোধেরাই করে।
তবুও তো তারা খসা সন্ধ্যায় যুবক যুবতী এখনো হাতের উপর হাত রেখে দীর্ঘ অঙ্গীকারে বাঁধা পড়ে।
এখনো পথের ধারে ফোটে কত নাম না জানা ফুল!
এখনো নিজের অজান্তেই সৌন্দর্যের পসরা উজাড় করে দেয় বসন্ত বাতাসে।
নোনা ধরা ইটের ফাটলে তাদের ও কত না জীবন কাহিনী লুকিয়ে আছে।
আজ তার খবর রাখেনা আর কেউ।
কোনোদিন কেউ রেখেছিলো কিনা সে ইতিহাসও অজানা।
সময়ের অপচয়ে ব্যর্থ দিনের পরিহাসে লুকিয়ে আছে এমন কত কান্না।
যার খবর হয়তো তুমি আমি কেউ জানি না কিংবা জানতে চাইনি কোনোদিন!