গল্পেরা জোনাকি তে রীতা চক্রবর্তী

রোজ যেভাবে কথা বলতে হয়
তাজা তাজা সব্জি লে লো। পালক লো, ধনিয়া লো, কেলা লো, লিম্বু লো, অঙ্গুর লো…
এই সব্জি, দাঁড়াও– বলে দোতলা বাড়ির কাকিমা মুখ বাড়ায়।
আইয়ে মা জী, লিজিয়ে জো মন করে। আপহি কে হাথসে মেরা আজ কি বোওনি হো জাবেগা।
তোমার ঠেলাগাড়িতে তো অনেক কিছুই রেখেছ দেখছি। পালং শাক কত করে দিচ্ছ?
এক বন্ডিল বিশ রূপয়া।
কি বলছ গো? পালং একআটি কুড়ি টাকা?
ওটা ওজন করে দেখোতো?
পালক বজন মে নেহি বিকতা মা জী। কিলো চালিশ টাকা লাগবে। তোল দুঁ ক্যয়া?
থাক, তোমাকে আর তোলতে হবেনা। একটা বান্ডিল দিয়ে দাও। আর কমলালেবু কত করে দিচ্ছ?
লিম্বু তিশটাকা কিলো মা জী। ঔর একদম মিঠা হোবে।
আর মিঠা নাহলে তুমি বুঝি পাল্টে দেবে? দাও তাড়াতাড়ি আর বকবক করো না।
হ্যাঁ মা জী। আইয়ে। ঔর কুছ না লাগবে? টমাটর লো, বন্ধগোবি লো, হরা ধনিয়া লো, হরিমির্চি লো।
ঠিক আছে। আড়াইশো টমাটর, একশো গ্রাম হরিমির্চি, আড়াইশো আদা দিয়ে দাও। আর একটু ধনেপাতা দিয়ে হিসেব কর।
আপকা সারা সামান মিলাকে একশো বিশ রূপয়া হুয়া।
সকাল সকাল তোমাকে আর কি বলবো। এইটুকু সব্জিতেই তুমি একশো বিশ রূপয়া হুয়া বলে দিলে। বাজারে যেতে পারলে আধা দামমে হুয়া হোতো।
আপ একদম ঠিক বোলে হো। হামকো ভি তো দুটাকা কামাতে হোবে ইসি ঠেলা সে।
পর মানো, আপকে হাথ মেঁ লছমী হ্যায় মা জী। আপকে হাথসে বোওনি হো রাহা হ্যায় তো আজ মেরা দিন আচ্ছা কটেগা। হেঁ হেঁ হেঁ… হাসতে হাসতেই হাঁকতে শুরু করে… সব্জি লে লো।
আও আও.. বেঁইগন লো, টমাটর লো, তাজা তাজা সব্জি লো…