মুক্ত ভাবনায় অমিত বাগল

ভাত ও ভাতের ভাগ বাঁচিয়ে…

প্রয়াত কবি নারায়ণ দা,নারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের পাশে কী আমার বর্ধমানের শ্যামল দা! আমার তখন কতো কম বয়েস, পূর্ব পশ্চিম করে কেটে দুইখান হয়নি তখনও আমার অখন্ডতা । জীবনানন্দে কবিতা পড়তে গেসলাম–বাল্মীকির আয়োজন ছিলো মনে হয়…না না স্বকাল পত্রিকার অরুণ ভট্টাচার্য সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠান…একা একা ভয়ে ভয়ে শেষরাত্রির হাওড়া- যোধপুর মেল ট্রেনে ঘরে ফিরেছিলাম। বাল্মীকির কী আমাকে আর মনে রাখবার কথা? সেই সব দিনকাল… সঞ্চয়িতা দিদিতো মোবাইলে চিনতেই পারলোনা যে এই ক’দিন আগেই…আন-নেমড …কষ্ট, কষ্ট. .. বাতাসা বাতাসা রক্তপাত আমার আকাশেও , কবিতার বাংলাবাজারেতেও । এরকম হতে হয় ! প্রকাশ দা ?
.

একদম একা এর আগে তো কলকাতা যাইনি,সেজদির সঙ্গেই মামাবাড়ি যেতাম তো , তাই। সাতবোনের পর এক ভাই আমি, টান…কিছুতেই একা কেনো ছাড়বে না ,আজ বুঝি। সেজদি ,এই কদিন আগেই সন্ধ্যাবেলায় তোর নতুন শীতের শালটা আমাকে আলমারি থেকে বের করে দিয়ে দিলি আর আমার আনন্দে কেমন যেন একটা কষ্ট লেগে রইলো …ওই যে পড়েছিলাম না , ভালোবাসার ক্ষত…

আর এখন যখন অলিগলি চিনলাম , অন্ধিসন্ধি বুঝলাম, চোখে অন্ধকার দিয়ে উঠলো । উরিব্বাপ ! আর কলকাতায়ও যাইনা ,আধখানা বর্ধমানেও যাই না । ৩৭ কালনা রোড কতোবছর যাই না। যাবোও না । সব আর সবাইকে বুঝে গেছি। সত্যির ঘরে ন্যাড়াপোড়া, মিথ্যের ঘরে নিয়ন-জ্বালা

শেষ গেছি কোভিডের আগে, বাগবাজার। মায়ের বাড়ী। দুপুরে অন্নভোগ … আহা !

তারপর সোজা বাঁশবেড়িয়া। হংসেশ্বরী মা আমার । মাকে সব বলেকয়ে চিত্তরঞ্জনে ফিরে এসেছি, মানুষের মুখোশতা–টুখোশতা…

আর যাই নি

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।